বন্ধন পরিবহনের ২ গ্রুপের সংঘর্ষ: আহত ১০

প্রেসবাংলা ২৪. কম: আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বন্ধন পরিবহনের ২ গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষে প্রায় দশজন হতাহতের খবর পাওয়া গেছে এবং এঘটনায় আটজনকে আটক করেছে পুলিশ।
রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নগরীর ১নং রেল গেট, টানবাজার ও লঞ্চ টার্মিনাল এলাকায় দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, বিগত সময়ে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে বন্ধন পরিবহনের বাস চলাচল করতো। সেই সময়ে বন্ধন পরিবহনের চেয়ারম্যান ছিলেন মহানগর বিএনপি সদস্য মাহবুব উল্লাহ তপন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বন্ধন পরিবহন থেকে সিটি বন্ধন পরিবহনের বাস ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটের চলাচল শুরু করে। সেই সঙ্গে মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জুয়েল হোসেন বন্ধন পরিবহন বিলুপ্ত করে সিটি বন্ধন পরিবহনের চেয়ারম্যান হন এবং একই সঙ্গে সিটি বন্দন পরিবহনের এমডি ছিলেন কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী।
গত ৫ই আগষ্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর পূর্বের বৈধ কমিটি মাহবুব উল্লাহ তপনের নেতৃত্বে বন্ধন পরিবহনের চেয়ারম্যান হাসানুর রহমান সহ সিটি বন্ধন পরিবহনের মালিকরা নাম পরিবর্তন করে পুরানো নাম বন্ধন পরিবহনে নামে ফেরার প্রস্তুতি নেন। কিন্তু এতে বাধা হয়ে দাঁড়ায় বিভিন্ন মামলায় কারাবন্দি সাবেক ছাত্রদল নেতা জাকির খানের সমর্থকরা।
রোববার বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে সিটি বন্ধন পরিবহনের কাউন্টারে পাশে বন্ধন পরিবহনের কাউন্টার বসিয়ে বাস চালু করেন সাবেক চেয়ারম্যান ও মহানগর বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাহবুব উল্লাহ তপন, বন্ধন পরিবহনের চেয়ারম্যান হাসানুর রহমান, নারায়ণগঞ্জ মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের সাখাওয়াত রানা ও বাবু মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দল ও বিএনপির ওয়ার্ডভিত্তিক নেতাকর্মীদের নিয়ে দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে তাদের কার্যক্রম শুরু হয়।
কিন্তু দুপুর ২টায় বিএনপি নেতা জাকির খানের কর্মী ও সমর্থকরা প্রায় শতাধিক নেতা-কর্মী ঝটিকা হামলা করে নারায়ণগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে ভাংচুর ও নেতাদের মারধর করে। বন্ধন পরিবহনের কাউন্টার ও চেয়ার ভাংচুর চালায়। এসময় তাদের দাওয়া করে কয়েক রাউন্ড ফাকা গুলি ছুড়ে তারা।
এ বিষয়ে সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, নিজের শক্ত অবস্থান ধরে রাখার জন্য বন্ধন পরিবহনের ২ গ্রুপের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঘটনাস্থল থেকে আটজনকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশ এবং সেনাসদস্যরা কাজ করছে।











