গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ভেঙ্গে দিয়ে খিলাফত রাষ্ট্র বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে হবে : ইসলামী সমাজ

প্রেসবাংলা ২৪. কম: ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ুন কবীর বলেছেন, মানুষের সমাজ ও রাষ্ট্রসহ সমগ্র বিশ্ব জগতের একমাত্র রব্ব হলেন সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ্। কিন্তু গণতন্ত্রসহ সকল প্রকার মানব রচিত ব্যবস্থার মাধ্যমে মানুষের সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর পরিবর্তে মানুষকে রব্ব সার্বভৌমত্বের মালিক গ্রহণ করা হয়, যা মূলতঃ মহান রব্বের সাথে কুফর এবং শিরক। কুফর এবং শিবৃক্কের পরিণতি মানুষের দুনিয়ার জীবনে অকল্যাণ, অশান্তি এবং তাদের আখিরাতের জীবনে চিরস্থায়ী ঠিকানা নিশ্চিত জাহান্নাম। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্ব এবং কুরআন বিরোধী মানব রচিত সংবিধানের এবং এরই ধারক-বাহক নেতার আনুগত্য প্রতিষ্ঠিত আছে, যার কারণে মানুষের জীবনে সুশাসন ও ন্যায় বিচার নাই, তাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বৈষম্য আর বৈষম্য। তাদের ন্যায্য অধিকার আদায় ও সংরক্ষণ হচ্ছে না। সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি সেক্টরে দুর্নীতি এবং দুর্নীতির কারণে সন্ত্রাস, উগ্রতা জঙ্গি তৎপরতার সহ বিভিন্ন ইস্যু কেন্দ্রিক মানবতা বিরোধী অপতৎপরতা মানুষের জীবনকে গ্রাস করেছে।
শনিবার ( ২১ সেপ্টেম্বর ) বিকেলে শহীদ মিনার চত্বরে ইসলামী সমাজ আয়োজনে মানবাধিকার সমাবেশ তিনি এসব কথা বলেন।
আমীর আরো বলেন, গণতন্ত্রের অধীনে নির্বাচন, গণআন্দোলন কিংবা সশস্ত্র লড়াই ইত্যাদি কোনটাই ইসলাম প্রতিষ্ঠালামী সমাজের আষ্ঠের জন্য কুরআন ও সুন্নাহ ভিত্তিক- আল্লাহর নির্দেশিত এবং তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতি নয়। এসব পদ্ধতির যে কোন পদ্ধতি গ্রহণ করলে আল্লাহর সাথে কুফর এবং শিরক করা হয়, যার পরিণতি দুনিয়ার জীবনে অকল্যাণ, আশান্তি এবং আখিাতের জীবনে মহাক্ষতি। তিনি বলেন, দুনিয়ার জীবনে কল্যাণ ও শান্তি এবং আখিরাতের জীবনে মহাক্ষতি থেকে রক্ষা পেয়ে চূড়ান্ত সফলতা লাভ করতে হলে মানব রচিত ব্যবস্থা পরিত্যাগ করে সমাজ ও রাষ্ট্রসহ জীবনের সকল ক্ষেত্রে ইসলাম গ্রহণ করে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার ঈমানী দায়িত্ব পালন করতেই হবে। তিনি বলেন, সকল মানুষের সার্বিক কল্যাণে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) প্রদর্শিত পদ্ধতিতে’ই ‘ইসলামী সমাজ’ সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সকলকে তিনি গণতন্ত্রসহ ইসলাম বিরোধী সকল ব্যবস্থা ত্যাগ করে সমাজ ও রাষ্ট্রে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর আইন-বিধান প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের লক্ষ্যে ইসলামী সমাজে শামিল হওয়ার আন্তরিক আহ্বান জানান।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল সর্বজনাব মুহাম্মাদ ইয়াছিন, মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, সোলায়মান কবীর, মোঃ নুরুদ্দিন, মোঃ আলী জিন্নাহ, মো: সোহেল, আবু জাফর মোঃ সালেহ, নাজমুল হাসান এবং জেলা দায়িত্বশীল মোঃ মাসুম, হাবিবুর রহমান, সোহাগ আহমেদ ও ইসলামী সমাজের অন্যতম সদস্য ফয়সাল আহমেদ প্রমুখ।











