জাকির হোসেনের গণসংযোগে জনস্রোতে পরিনত (ছবিসহ)

প্রেসবাংলা ২৪.কম: সন্ত্রাস ও মাদক ব্যবসায়ীদের কোন প্রকার ছাড় দেয়া হবে না বলে হুশিয়ারী দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব জাকির হোসেন। তিনি বলেন, আমার আলীরটেকে গুটি কয়েকটি পরিবারের সন্ত্রাসী রয়েছে। তারা এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করছে। অন্যের জমি জোরপূর্বক দখল নিজের কব্জায় নিয়ে নেয়। আমি জনগনের ভোটে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হতে পারলে আলীরটেকে সন্ত্রাস ও ভূমিদস্যুদের নির্মূল করা হবে। সন্ত্রাসী কাদের সাথে আত্মীয় করছে কোথায় বিয়ে করছে সেটা দেখবো না। আলীরটেকের জনগনকে সাথে নিয়ে সন্ত্রাসীদের দমন করবো ইনশাহ আল্লাহ।

শুক্রবার (২৯ অক্টোবর) সকালে আলীরটেকের নৌকার প্রার্থী আলহাজ্ব জাকির গণসংযোগ শেষে ডিক্রীরচর কেন্দ্রীয় ঈদগাহের সামনে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আমি শান্তিপ্রিয় মানুষ আমাকে আমার নেত্রী শেখ হাসিনা শান্তির প্রতীক নৌকার মাঝি বানিয়েছে। নদীতে যতই স্রোতে থাকুক না কেন নৌকা বেয়ে আমাকে গন্তব্য স্থানে পৌছাতে হবে এবং নৌকার সম্মান রক্ষা করতে হবে। জনগন আমাকে ভাল বাসেন, ভাল বাসার প্রতিফলন হিসাবে আমাকে তারা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন তাহলে জনগনের ঋন আমি শোধ করবো ইনশাহ আল্লাহ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে যে উন্নয়ন করেছেন বিশ্বের দরবারে একটি রোল মডেল হিসাবে পরিচিতি পেয়েছেন। শেখ হাসিনা অসম্ভবকে সম্ভব করেছে। পদ্ম সেতু নির্মান করা
তার একটি প্রমান।

জাকির হোসেন আরো বলেন, দেশে চাঁদাবাজ নাই, কোন চাঁদাবাজি হচ্ছে না। শেখ হাসিনা সেভাবে দেশ পরিচালনা করছেন। আর আমি নারায়ণগঞ্জ শহরে ব্যবসা করছি এবং বড় বড় প্রতিষ্ঠান করতে গিয়ে যেহেতু আমাকে চাঁদা দিতে হয়নি এটাই প্রমান হয় নারায়ণগঞ্জের ওসমান পরিবারের দুই এমপি কত সুন্দর ভাবে নারায়ণগঞ্জ পরিচালনা করছেন। তারা দুই ভাই নারায়ণগঞ্জে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছেন। তাদের দুই ভাইকে নিয়ে গর্ব করি। বিশেষ করে ওসমান পরিবারের অন্যতম অন্যতম অভিভাবক প্রয়াত নামিম সাহেব আমার অভিভাবক ছিলেন। তিনি আমাকে সব সময় সু-পরামর্শ দিয়ে ছিলেন নাসিম ওসমান ভাই আজ বেচে থাকলে আমি আরো সাহস পেতাম। তিনি সব সময় ভাল কাজ করে গেছেন। আল্লাহ যেন নাসিম ভাইকে বেহেশত নসিব দান করেন।
এদিকে নৌকার গণসংযোগে সকাল সাড়ে ৭ টা হতে বিভিন্ন এলাকা হতে খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে ডিক্রীরচর কেন্দ্রীয় ঈদগাহে সমাবেত হতে থাকেন। সকাল ৮ টায় বিশাল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ কানায় কানায় ভরে যায়। সকাল সাড়ে ৮ টায় হাজার হাজার লোক নিয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী জাকির হোসেন নৌকার শ্লোগান নিয়ে গণসংযোগ শুরু করেন। ডিক্রীরচর হতে গণসংযোগ শুরু করে কয়েকটি সড়ক পদক্ষিণ করে মুক্তারকান্দি হয়ে আবার ডিক্রীরচর সড়ক পদক্ষিণ করে পুরাতন গোগনগর হয়ে কুড়েরপাড় সড়ক দিয়ে ক্রোকেরচর গিয়ে গঞ্জকুমার এলাকায় গিয়ে আবার কুড়েরপাড় এলাকা দিয়ে আলীরটেক গ্রাম দিয়ে ডিক্রীরচর গিয়ে শেষ করেন। গণসংযোগে জাকির হোসেন ঘরে ঘরে গিয়ে মা বোনদের সালাম দিয়ে নৌকার ভোট প্রার্থনা করেন। গণসংযোগ করতে গিয়ে জাকির হোসেনকে দেখে মহিলাদের মধ্যে বাড়তি উল্লাস দেখা গেছে। আর জাকির হোসেনের গণসংযোগে জনস্রোতে পরিনত হয়েছে।
গণসংযোগে জাকির হোসেনের সাথে উপস্থিত ছিলেন সদর থানা যু্বলীগের সাধারন সম্পাদক সালেহ আহম্মদ খোকন, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ওমর ফারুক, আওয়ামী লীগ নেতা আলীনূর মোল্লা, আব্দুল গফুর রাজা মিয়া, মুক্তারকান্দি পঞ্চায়েত প্রধান জয়নাল আবেদীন, মুক্তারকান্দি আর্দশ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মো. শহীদুল্লাহ, মুক্তারকান্দি জামে মসজিদের সহ-সভাপতি শাহ জামাল, আওয়ামী লীগ নেতা সাইদুর রহমান, আলীরটেক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কোষাদক্ষ এবায়েত উল্লাহ, আলীরটেক ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি নাসির, আলীরটেক সরকার বাড়ি পঞ্চায়েত প্রধান সৈয়দ হোসেন সরকার, এসটি আলমগীর, যুবলীগ নেতা এসবি শাহীন, আলীরটেক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলাম বিপ্লব, সাধারণ সম্পাদক শাহীন রাজু সহ ডিক্রিরচর, মুক্তারকান্দি, আলীরটেক, পুরান গোগনগর, কুড়েরপাড় সহ বিভিন্ন এলাকার পঞ্চায়েত প্রধানগণ।











