রেজিস্ট্রি অফিসে জরাজীর্ণ বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে কালভার্ট নির্মাণের প্রতিশ্রুতি মামুন মাহমুদের

প্রেসবাংলা ২৪. কম: নারায়ণগঞ্জ জেলা রেজিস্ট্রি অফিসে আগত হাজারো সেবা প্রার্থীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ অবশেষে অবসান হতে যাচ্ছে। জরাজীর্ণ বাঁশের সাঁকোর পরিবর্তে সেখানে দ্রুত একটি ছোট কালভার্ট নির্মাণ করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ।

 

মঙ্গলবার (৩০শে জুন) নারায়ণগঞ্জ জেলা রেজিস্ট্রি অফিস প্রাঙ্গণ সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।

 

দুপুরে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ জেলা রেজিস্ট্রি অফিস ও এর আশেপাশের এলাকা পরিদর্শনে যান। সবকিছু দেখার পর অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, “সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের এই দুর্ভোগ কোনোভাবেই কাম্য নয়। এই বাঁশের সাঁকোটি সরিয়ে এখানে যত দ্রুত সম্ভব একটি টেকসই ছোট কালভার্ট নির্মাণ করা হবে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের অবিলম্বে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।

 

এ সময় সেবা প্রার্থীদের যাতায়াতের চরম ভোগান্তির চিত্র তুলে ধরে স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে একটি নড়বড়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে মানুষ যাতায়াত করছে।

 

পরিদর্শনকালে জেলা রেজিস্ট্রি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং দলিল লেখক সমিতির নেতৃবৃন্দ অধ্যাপক মামুন মাহমুদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা ভবনে সেবাগ্রহীতা ও বয়স্ক মানুষের ওঠানামার সুবিধার্থে জেলা পরিষদের অর্থায়নে একটি লিফট স্থাপনের জোরালো দাবি জানান।

 

কর্মকর্তা ও দলিল লেখকরা উল্লেখ করেন, প্রতিদিন শত শত বয়স্ক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী মানুষ জমি রেজিস্ট্রি ও দলিল সংক্রান্ত কাজে এখানে আসেন। লিফট না থাকায় বহুতল এই ভবনে উঠতে তাদের চরম বেগ পেতে হয়। অধ্যাপক মামুন মাহমুদ তাদের এই যৌক্তিক দাবিটি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে শোনেন এবং বিষয়টি নিয়ে জেলা পরিষদের সাথে কথা বলে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন।

 

কালভার্ট নির্মাণ ও লিফট স্থাপনের এই আশ্বাসে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন সাধারণ সেবা প্রার্থীরা। দলিল লেখক ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই দুটি উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে নারায়ণগঞ্জ জেলা রেজিস্ট্রি অফিসের সেবার পরিবেশ এবং মান বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।

 

এ সময় পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা রেজিস্টার মোঃ আব্দুল হাফিজ, সদর উপজেলা রেজিস্টার আব্দুল্লাহ আল ইমাম, জেলা তাঁতি দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান উজ্জ্বল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য কাজী মাজেদুল, দলিল লেখক তপু ভূঁইয়া, রাজু মৃধা, কাজী শুভ, জালাল ও বাচ্চু মিয়াসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।