বন্দরে সেফটি ট্যাংক বিস্ফোরণে গৃহবধূ আহতের ঘটনায় থানায় অভিযোগ

বন্দর প্রতিনিধি, প্রেসবাংলা২৪.কম: বন্দরে বহুতল ভবনের সেফটি ট্যাংকি বিস্ফোরণে গৃহবধূ মুক্তা বেগম (২৫) আহতের ঘটনার দীর্ঘ ২১ দিন পর অবশেষে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করার খবর পাওয়া গেছে।
গত ১০ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে আহত গৃহবধূর পিতা মোজাম্মেল মিয়া বাদী হয়ে বহুতল ভবনের মালিকের স্ত্রী রুবি বেগমকে আসামী করে এ অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। অভিযোগ পেয়ে বন্দর থানা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
এ ব্যাপারে অভিযোগের বাদী মোজাম্মেল মিয়া গনমাধ্যমকে জানায়, বাবা আমি খুব অসহায় ও গরীব মানুষ। আমি আমার পরিবার নিয়ে নবীগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দীর্ঘ দিন ধরে বসবাস করে আসছি। অনেক কষ্ট করে আমার মেয়ে মুক্তাকে মদনগঞ্জ লক্ষারচর এলাকায় বিয়ে দিয়েছি। আমার জামাতা রুমান সেও অনেক গরীব মানুষ। তাদের সংসারে একটি সন্তান রয়েছে। গত ১৮ নভেম্বর সন্ধ্যায় আমার মেয়ে মুক্তা বেগম একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য নবীগঞ্জ টি-হোসেন রোড
এলাকার জনৈক মাসুদ মিয়ার স্ত্রী রুবি র্পালারে সাঁজতে যায়। ওই সময় হঠাৎ বহুতল ভবনের সেফটি ট্যাংকি বিস্ফোরন ঘটলে ওই সময় রুবি বিউটি র্পালারে ভিতরে আটকা পরে মারাত্মক ভাবে আহত হয়। পরে আমরা লোক মারফতে সংবাদ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আমার মেয়েকে মুমুর্ষ অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেফটি ট্যাংকি বিস্ফোরণে আমার মেয়ের দুইটি পা ভেঙ্গে গেছে। বর্তমানে দুইটি পায়ে রড লাগানো আছে। এ পর্যন্ত আমার ১ লাখ ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়ে গেছে। আরো অনেক টাকা লাগবে। মেয়ের চিকিৎসা খরচ বহন করতে না পেরে গত ১০ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার হাসপাতাল থেকে রিলিজ নিয়ে আমার বাড়ীতে রেখে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করছি। আমি এ ব্রাপারে স্থানয়ি ভাবে বিচার চেয়ে না পেয়ে গত ১০ ডিসেম্বর রাতে বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি।
এ ব্যাপারে বন্দর থানার অফিসার ইনর্চাজ ফখরুদ্দীন ভূইয়া জানান, সেফটি ট্যাংকি বিস্ফোরনের ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে। আমরা অবশ্যই দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করব।











