প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ক্রীড়া অবকাঠামো উন্নয়নে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রথম ধাপে ১০টি অঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানের স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণ করা হবে। এসব স্পোর্টস ভিলেজে ইনডোর গেমস, আর্চারি, শুটিং, সুইমিংসহ আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন ক্রীড়া সুবিধা থাকবে। এ তালিকায় নারায়ণগঞ্জকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরে প্রতিটি জেলায় একটি করে আধুনিক সুইমিং পুল নির্মাণ করা হবে। একই সঙ্গে জরাজীর্ণ সুইমিং পুলগুলো সংস্কার করা হবে, যাতে সাঁতার শেখার সুযোগ বাড়ে এবং পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা কমানো যায়।
ফতুল্লা স্টেডিয়ামের বর্তমান অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মানের ওই ক্রিকেট স্টেডিয়ামটির অবস্থা এখন অত্যন্ত নাজুক। ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত সংস্কারকাজ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। খেলাধুলার প্রসারে সরকার নতুন জাতীয় শিক্ষাক্রমে ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, সাঁতারসহ আটটি ক্রীড়া বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান তিনি।
আগামী বছর থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে এসব বিষয়ে পাঠদান শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। লিখিত পরীক্ষার পাশাপাশি মাঠে অংশগ্রহণের ভিত্তিতেও শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যেখানে খালি জায়গা থাকবে সেখানে খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশনা দিয়েছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ইতোমধ্যে দেশের ৩০০ জন সংসদ সদস্যের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে, যাতে প্রতিটি ইউনিয়নে অন্তত আট বিঘা জমিতে একটি করে খেলার মাঠ গড়ে তোলা যায়। আগামী পাঁচ বছরে দেশের সব ইউনিয়নে খেলাধুলার উপযোগী মাঠ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান, মুস্তাফিজুর রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাসুকল ইসলাম রাজীব, নারায়ণগঞ্জ ফুটবল একাডেমির সভাপতি ও মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফতেহ মোহাম্মদ রেজা রিপন প্রমুখ।