বাংলার মাটিতে পাকিস্তানের প্রেতাত্মাদের কোনো ঠাই নেই : পলাশ
স্টাফ রিপোর্টার, প্রেসবাংলা২৪.কম: ১৪ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ যাতে আর কখনো মাথা উচু করে দাড়াতে না পারে তার নীল নকশা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হয়েছিলো। পাক হানাদার বাহিনী যখন বুঝতে পেরেছিলো তাদের পরাজয় সুনিশ্চিত। ঠিক তখনই তারা মুক্তি পাগল বাঙালী জাতির মধ্য থেকে যারা দেশকে নেতৃত্ব দিবে বাংলাদেশকে গড়ে তুলবে তাদেরকে ডেকে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছিলো। আজ আমাদের শপথ হোক, এই বাংলার মাটিতে পাকিস্তানের প্রেতাত্মাদের কোনো ঠাই নেই। যতদিন আমরা বেঁচে থাকবো ততদিন পর্যন্ত আগামী প্রজন্মের কাছে এই খবর পৌছিয়ে দিতে থাকবো।
সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মীনার প্রাঙ্গণে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত র্যালীর পূর্বে জাতীয় শ্রমিকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক কাউসার আহম্মেদ পলাশ এসব কথা বলেন।
পলাশ আরো বলেন, নতুন করে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা এবং তাদের দোসররা নতুন করে ষড়যন্ত্র করছে। কোরআন হাদিসে কি আছে? তা কিন্তু আমরা জানি। তাহলে, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে এতো লাফালাফি হচ্ছে কেন? ভাস্কর্য তো আরো রয়েছে বাংলাদেশে। বাবুনগরীর চট্টগ্রামের সার্কিট হাউজে তো জিয়াউর রহমানের ভাস্কর্য রয়েছে সেগুলো কি তাদের চোখে পরে না? আগে চট্টগ্রামে শেষ করেন, তারপর ঢাকাতে আসেন। ঢাকা শহরে চিল্লা ফাল্লা করবেন, ভাস্কর্য হারাম বলবেন। আর সাংবাদিকেরা প্রশ্ন করলে তার উত্তর দিতে পারেন না। এসব বাদ দেন।
পরে জাতীয় শ্রমিক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক কাউসার আহম্মেদ পলাশের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলটি শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে বিবি রোডসহ নগরীর প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে পূনরায় চাষাড়ার বিজয়স্তম্ভের সামনে এসে শেষ হয়।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ফতুল্লা আঞ্চলিক শাখা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম হুমায়ুন কবীর, ইউনাইটেড ফেডারেশন অব গার্মেন্টস ওয়ার্কাস নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেন্টু, সাধারণ সম্পাদক কবীর হোসেন রাজু ও ফারুক সহ অন্যান্য নেতা কর্মীরা।











