জাকিরের হাত ধরেই আলীরটেক হবে আরো উন্নত!

স্টাফ রিপোর্টার, প্রেসবাংলা ২৪.কম: ২০১১ সালের ইউনিয়ন নির্বাচনের পর মাত্র ৫বছর চেয়ারম্যান হয়ে জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেছিলেন আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের তৎতকালিন চেয়ারম্যান জাকির হোসেন। এক টার্ম দায়িত্ব পালন করেই আলীরটেককে নিয়ে গিয়েছিলেন উন্নয়নের চূড়ান্তসীমায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে নতুন সড়ক, কাঁচা, আধাপাকা সড়ককে সাজিয়েছেন নতুনভাবে। তার মাধ্যমেই আলীরটেক বাসী স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলেন নিজেদের নিয়ে।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, একবার নির্বাচিত হয়ে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে তিনবারের উন্নয়ন করেছেন জাকির হোসেন। তার উন্নয়নে বাঁধাগ্রস্থ সৃষ্টি করতেই ২০১৬ সালে প্রতিবন্ধিকতা সৃস্টি করে তাকে নির্বাচন থেকে সড়িয়ে দেওয়া হয়েছিলো। স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের আর্শিবাদে সেই বছর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিলেন চাটুকদার মতিউর রহমান মতি। জাকিরের উন্নয়নকেই সংস্কার করে নিজের নামে চালানোই ছিলো তার কাজ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২১ সালের দ্বিতীয়ধাপে নানা নাটকীয়তার পর আবারও নির্বাচনের ঘোষনা দিয়েছিলেন জাকির হোসেন। আর তার ঘোষনার পরই আবারও আনন্দে আত্মহারা হয়েছেন আলীরটেক বাসী। কিন্তু দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন না করে বিনাভোটে আবারও নির্বাচিত হতে চেয়েছিলেন সেই মতি। কিন্তু জাকিরের ঘোষনা কিছুটা হকচকিয়ে যায় মতি। অসুস্থতরা অযুহাতে নিজেকে নির্বাচন থেকে সড়িয়ে নেওয়ার পর আলীরটেকের নৌকার মাঝি হয় জাকির হোসেন। দীর্ঘদিন অবহেলিত হয়ে থাকা আলীরটেক আবারও উন্নত হবে সাবেক চেয়ারম্যান জাকিরের হাত ধরেই বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
এলাকাবাসী জানান, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার আলীরটেক ইউনিয়নে জাকির হোসেনের সাথে প্রভাবশালী কেউ এসেও যদি নির্বাচন করে তারপরও জাকির হোসেন বিপুল ব্যবধানে জয়ী হবে। ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রান্তের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে তাদের কাছে জাকির চেয়ারম্যান সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ও পারফেক্ট একজন মানুষ, একজন নেতা। বিপদে আপদে, প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে বটবৃক্ষ হয়ে সুশীতল ছায়াতলে মানুষকে আশ্রয় দেন তিনি।
সরজমিনে এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, এই ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের মধ্যরচর গ্রামটি উন্নয়নের কোন ছোঁয়া লাগেনি গত ৫বছরে। পুরো গ্রাম জুড়েই রয়েছে কাঁচা রাস্তা। কুড়েরপার ব্রীজের দক্ষিণ পার্শ্বের গাইড ওয়াল ভেংগে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করে সাধারণ মানুষ। ২০১১ সালে জাকির হোসেন আলীরটেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে গঞ্জকুমারীয়া ও বেতকাবাসীর মধ্যে সহজ যোগাযোগ করার লক্ষে ব্রীজের দুই পার্শ্বের গাইডওয়াল নির্মান করেন। এতে করে যেকোন যানবাহন অতি সহজেই চলাচল করতে পারতো। কিন্তু সেই গাইডওয়াল সহ ব্রীজের সংযোগ সড়ক ভেঙ্গে গেছে দীর্ঘদিন। ভোগান্তির চরম সীমায় পৌছে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী, এতেই দৃষ্টিপাত হয়নি স্থানীয় জনপ্রতিনিধির। কুড়েরপার ব্রীজ সংলগ্ন সবুজনগর থেকে ছমির নগর রাস্তাটি সংস্কারের অভাবে বেহাল অবস্থায় পরে আছে। পুরো সড়কটি মাটির রাস্তা হওয়ায় খানাখন্দে ভরপুর হয়ে আছে। রাস্তাটি ধলেশ্বরী শাখা নদীর সাথে হওয়ায় সড়কের বিভিন্ন জায়গায় ভেঙে গেছে। অন্যদিকে, আলীরটেক সরকার বাড়ি এলাকায় কালাম সাহেবের বাড়ির ব্রীজটিও যাতায়াত ব্যবহারের অনুপুযোগী হয়ে উঠেছে।
এমন গত ৫ বছরে অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীর। তবে এবার তারা বলছে জাকির হোসেনের হাত ধরেই আলীরটেক পুনরায় হবে আরো উন্নত। তিনি ২০১১ সালের নির্বাচিত হবার পর যেভাবে এলাকার উন্নয়ন করেছিলেন আবারও ২০২১ সালে নির্বাচিত হয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা পুনরায় চালু করবেন।











