নানা আয়োজনে শ্রমিকলীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন

প্রেসবাংলা ২৪. কম: জাতীয় শ্রমিক লীগের ৫৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে মিলাদ, দোয়া ও কেক কাটা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১২ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় নারায়ণগঞ্জ রাইফেল ক্লাবে জাতীয় শ্রমিক লীগ নারায়ণগঞ্জ জেলা, মহানগর ও উপজেলার উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এরআগে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে বেলুন উড়িয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির আইন ও দর কষাকষি বিষয়ক সম্পাদক ও বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজিম উদ্দিন প্রধান। পরে শোভাযাত্রাটি বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক বঙ্গবন্ধু সড়ক প্রদক্ষিণ করে চাষাঢ়াস্থ রাইফেল ক্লাব প্রাঙ্গনে এসে শেষ হয়।
অনুষ্ঠানে জাতীয় শ্রমিক লীগ নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক আব্দুল কাদীরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ.কে.এম শামীম ওসমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি চন্দন শীল।
বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশ রাজধানীতে না করে নারায়ণগঞ্জে করতে নেতাদের প্রতি আহবান রেখে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান বলেছেন, বিএনপি ঢাকায় মহা সমাবেশ না করে নারায়ণগঞ্জ করেন আর একই সময়ে আমাদের ছাত্রলীগও মহাসমাবেশ করুক।
দেখেন কোনটাতে বেশী লোক হয়। অল্প লোকজন নিয়ে আমাদের নেত্রীর বিরুদ্ধে উল্টাপাল্টা কথা বলবেন এগুলো আর মেনে নেওয়া যায় না। এই পাঁচ হাজার দশ হাজার লোকের মিছিল করে বলেন মহাসমাবেশ। এটাতো আমাদের ছাত্রলীগই করতে পারে। আমাদের মুন্না তো পনেরো হাজার লোকের মিছিল আনে। এটা হল বড় হাক ডাক। আমিতো ভেবেছিলাম কি জানি হয়ে যাবে আজ বাংলাদেশে। আজ চট্টগ্রামে বিএনপির মহাসমাবেশ ছিল। এত হাকডাক বিভাগীয় মহাসমাবেশ। চট্টগ্রাম তো অনেক বড় বিভাগ। এই হল তাদের অবস্থা। যারা বলেন জনগণকে দিয়ে সরকারের পরিবর্তন ঘটাবেন তারা আজ বুঝবেন সাধারণ মানুষ আপনাদের পক্ষে নেই। লাঠি রড নিয়ে এমন সব ভাষা ব্যাবহার করা হচ্ছে যেগুলো রাজনীতির ভাষা হতে পারে না। বৃটেনের মত দেশে বিদ্যুৎ খাতে দাম বেড়ে গেছে। সেখানে আমরা এখনও ভাল আছি। জাতির পিতার কন্যা দেশ বাঁচাতে কাজ করছেন। তিনি বলেছেন বিদ্যুৎ অপচয় করবেন না। আল্লাহ শেখ হাসিনার ওপর রহমতের চাঁদর বিছিয়ে রেখেছে। আইএমএফসহ সকলে বলেছে বাংলাদেশ চায়না ও ভারতের চেয়ে ভাল থাকবে।
তিনি আরও বলেন, নাসিম ওসমান সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমরা কেউই অনুষ্ঠানের কার্ড পাইনি। আমার ভাইয়ের পরিবার কার্ড পায়নি। আমি নিজে এমনকি চন্দনও (জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান) পায়নি। কিন্তু এটাকে অন্য রঙ দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। আমার বক্তব্য হচ্ছে সেই কালারটা না দেওয়া। যেহেতু তিন দিনের মাথায় এটা করা হয়েছে তাই অনেকেই কার্ড পায়নি। প্রশাসন অনেক পরিশ্রম করেছে। তার পরেও তাদের দায়িত্ব ছিল। আর আমি কর্মী আছি কর্মী আছি। আমি ও আমার পরিবার জাতির পিতার কন্যা হতে যা পেয়েছি এর পর আর কিছু চাওয়া পাওয়ার কিছু নাই। আওয়ামী লীগের সবাই ভাল আমি বলি না, সব জায়গায় ভাল খারাপ আছে। কিন্তু যখন সারা পৃথিবীতে অর্থনৈতিক সংকট তখনতো আমাদের মিছিল করার কথা না। সকলকে একসাথে কাজ করা উচিত। আমরা এ কাজটা করছি না।
মহানগরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম মুন্নার সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিএম আরমান, শ্রমিক লীগের জেলা কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি ও বন্দর থানার সভাপতি মোজাম্মেল হক, সাধারণ সম্পাদক রাফিয়ান আহমেদ, আলী হোসেন, মোখলেছুর রহমান, মোঃ শাহআলম, জাহাঙ্গীর আলম, রকিবুল হাছান রিয়ন প্রমুখ।











