মামুনুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন সোনারগাঁ রিসোর্টের তিনজন

মামুনুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন সোনারগাঁ রিসোর্টের তিনজন

প্রেসবাংলা ২৪.কম: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রিসোর্টকাণ্ডের ঘটনায় থানায় হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম-মহাসচিব মামুনুল হকের নামে দায়ের করা ধর্ষণ মামলায় দ্বিতীয় দফায় সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল দুপুর ১২টা থেকে পৌনে ২ টা পর্যন্ত এ সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে সকাল পৌনে ১০ টায় কঠোর নিরাপত্তায় কাশিমপুর কারাগার থেকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে আনা হয় তাকে। পরে ২ টায় আবার তাকে কঠোর নিরাপত্তায় কারাগারে ফিরিয়ে নেয়া হয়।

নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু আদালতের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে এই সাক্ষগ্রহণ হয় বলে জানিয়েছেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রকিব উদ্দিন আহমেদ। নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, রিসোর্টের তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেছেন আদালত। সকাল থেকে সাক্ষ্যগ্রহণকে কেন্দ্র করে আদালতপাড়ায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এর মধ্যেই সকাল ১১টার দিকে মামুনুলের কিছু সমর্থক আদালত চত্বরের প্রধান ফটকে জড়ো হতে চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়। এদের কয়েকজন গেটের ভেতর তার মুক্তি দাবি করে অবস্থান করেন।

এর আগে ২৪ নভেম্বর প্রথম দফায় মামুনুল হকের উপস্থিতিতে ‘কথিত’ দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণার সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছিল। তার আগে ৩ নভেম্বর মামুনুলের ধর্ষণ মামলায় বিচারকাজ শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।

মামুনুল হক চলতি বছরের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করছিলেন। ওই সময় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এসে মামুনুল হককে ঘেরাও করেন। পরে ওই রিসোর্টে স্থানীয় হেফাজতের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে ব্যাপক ভাঙচুর করে মামুনুল হককে ছিনিয়ে নিয়ে যান। পরে ৩০ এপ্রিল সকালে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দুই বছর ধরে ধর্ষণের অভিযোগে হেফাজত নেতা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন ওই নারী। যাকে মামুনুল হক তার দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করেছিল।