মৌসুমি ফলে না’গঞ্জের বাজার সয়লাব

নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রেসবাংলা২৪.কম: মৌসুমি ফলে সয়লাব নারায়ণগঞ্জের বাজার। নগরীর বিভিন্ন বাজারে, ফুতপাত, অলিতে – গলিতে মিলছে গ্রীষ্মকালীন ফল। বৈশ্বিক মহামারী করোনার কারণে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার ফল বিক্রিতে কিছুটা ভাটা পরেছে। পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় ফলের দাম কিছুটা বাড়তি। মৌসুমি ফলের মধ্যে আম, লিচু, আনারস কাঁঠাল, জামসহ অন্যান্য ফলও বাজারে বিক্রি হচ্ছে।
তবে মৌসুমি এসব ফল নিয়ে মানুষের মধ্যে বিষাক্ত রাসায়নিক ভীতি কাজ করছে। নির্দিষ্ট সময়ের আগে অর্থাৎ পরিপক্ব না হতেই বাজারে আসায় ক্রেতাদের মধ্যেও এই ভীতি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে বাজারের যেসব কাঁঠাল এসেছে তা এখনও খাওয়ার উপযোগী হয়নি। এসব রাসায়নিক পদার্থ কার্বাইড মেশানো ফল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।

কালীবাজারে ফল দোকানে দেখা গেলো, কয়েকটি জাতের আম বাজারে আসলেও আম্রপলি, হিমসাগর জাতের আম এখনো বাজারে আসেনি। আমের প্রতি ক্রেতাদেরও বেশ চাহিদা রয়েছে। দোকানে দোকানে সাজিয়ে রাখা আম দূর থেকে দেখলেই বোঝার বাকি থাকে না এসব আম অপরিপক্ব। রাসায়নিক পদার্থ মিশিয়ে পাকানোর পর এই আম বিক্রি করা হচ্ছে। বিক্রি করা এসব আম বিক্রি হচ্ছে ৯০-৫০ টাকা কেজিতে। গোবিন্দভোগ ৬০ টাকা কেজি দরে। রাজশাহীর লিচু না আসলেও সোনারগাঁয়ের লিচু দিয়ে নগরীর বাজারগুলো ভরপুর। লিচু বিক্রি হচ্ছে (১০০টি) ৩০০ – ৫০০ টাকা দরে। কাঠাঁলের দাম বেশি ও অপরিপক্ক হওয়ায় কাঁঠালের বিক্রি কম বলে জানান বিক্রেতারা। তবে কিছুদিন পর থেকে বাজারে ভালো জাতের কাঁঠাল পাওয়া যাবে বলে জানান বিক্রেতারা।











