না‘গঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে রিকশার গ্যারেজসহ অর্ধশতাধিক ঘর পুড়ে ছাই

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি, প্রেসবাংলা২৪.কম: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় বস্তি এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে বহু রিকশা একটি রিকশার গ্যারেজ ও প্রায় ৪৫/৫০ টি ঘর ভস্মীভূত হয়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি সাধিত হয়েছে। তবে আগুন কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
সোমবার (২২ মার্চ) রাত ১২ টার দিকে ফতুল্লার চাঁদমারী এলাকার বস্তিতে এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
এদিকে আগুনের সংবাদে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের মন্ডলপাড়া, ফতুল্লা বিসিক ও হাজীগঞ্জ ষ্টেশনের প্রায় ১০টি ইউনিট ১ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে রাত সোয়া ১ টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এদিকে অগ্নিকান্ডের সংবাদে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাহিদা বারিক। এসময় তিনি অগ্নিকান্ডের খোজখবর নেন এবং ফায়ার সাভিসের সদস্য ও আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের সাথে কথা বলেন।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সুত্রে জানা যায়, ফতুল্লার চানমারীস্থ মডেল কলেজ সংলগ্ন মোহাম্মদ আলীর কাগজের গোডাউন থেকেই আগুন লেগে আশে পাশে ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে আগুন ফরিদার রিকশার গ্যারেজে এবং প্রায় ৫০ টি বস্তি ঘর ও বিভিন্ন গোডাউনে আগুন লেগে পুড়ে যায়। ফরিদার রিকশার গ্যারেজে তার নিজের ১৬ টি এবং অন্য মানুষের ১শ টি রিকশা ছিল, সবগুলো রিকশাই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এছাড়াও আগুন লাগা বস্তি ঘর গুলোও পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়েছে। আগুন লাগার পর স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করে।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালনা আব্দুল্লাহ আল আরেফীন জানান, অগ্নিকান্ডের সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে আমাদের ফায়ার সাভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রনের কাজ শুরু করে। মন্ডলপাড়া, হাজীগঞ্জ সহ ফায়ার সাভিসের ১০ টি ইউনিট কাজ করে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়েছে। তবে বাশ ও শুকনা জাতীয় দ্রব্যের ঘর তৈরি হওয়ায় আগুন লাগার পর পর দ্রুত ছড়ি পড়ে মালামাল পুড়ে যায়। আগুনের সুত্রপাত প্রাথমিকভাবে বলা যাচ্ছেনা। তবে আমাদেরকে মশার কয়েলসহ দাহ্য পদার্থের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে কারণ এসব থেকেই বেশি আগুনের সুত্রপাত হয়। যার কারনে সব সময় আমাদের সতর্ক থাকা উচিৎ।
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা বারিক জানান, আগুনের খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসি। পরে কিভাবে আগুনের সূত্রপাত ও কত গুলো ঘর পুড়েছে এবং কি পরিমান ক্ষতি হয়েছে তার খোজখবর নেয়া হয়। আর আমি ক্ষতিগ্রস্থ মানুষগুলোর পাশে রয়েছি। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব সহতায় করার চেষ্টা করবো।











