শিমরাইলে পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি: সহযোগী গ্রেফতার হলেও অধরা মুরগি রিপন

শিমরাইলে পুলিশের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি: সহযোগী গ্রেফতার হলেও অধরা মুরগি রিপন

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি, প্রেসবাংলা২৪.কম: নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল থেকে ফুটপাতের অবৈধ দোকানপাট থেকে চাঁদাবাজিকালে চাঁদাবাজ রিপন ওরফে ‘মুরগি রিপনের সহযোগী জামালকে গ্রেফতার করলেও রিপনকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আইনসৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সহযোগী ধরা পরলেও অধরা মুরগি রিপন। অভিযোগ রয়েছে, মুরগি রিপনের চাঁদা আদায়ের একটা অংশ পুলিশের পকেটেও যায়।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে রিপন ওরফে ‘মুরগী রিপন’ নামের এক চাঁদাবাজ তার নিয়োজিত লোকদের (জামাল, শাকিল, নাসির ও রুহুল আমিন) দিয়ে পুলিশের নামে চাঁদা উত্তোলন করে। তাদের পাশাপাশি এ ফুটপাতে এক শ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধির সহযোগী ও স্থানীয় চাঁদাবাজরা এসব দোকানপাট থেকে দৈনিক ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে থাকেন। দোকান প্রতি ১ লাখ টাকা থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অগ্রিম নেয় এ চাঁদাবাজ চক্র।

ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, ‘মুরগী রিপন ও তার সহযোগীরা প্রতিদিন এ টাকা উত্তোলন করেন পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক বিভাগের নাম করে। মুরগি রিপনকে চাঁদা না দিলে তিনি ও তার বাহিনীর সদস্যরা আমাদেরকে শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি উচ্ছেদের হুমকিসহ পুলিশ দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দেয়। ফলে বাধ্য হয়ে আমরা তাকে ও তার নিয়োজিত ব্যক্তিদের প্রতিদিন চাঁদা দেই।

উল্লেখ্য, ১ ফেব্রুয়ারী সিদ্ধিরগঞ্জস্থ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে শিমরাইল মোড়ে পথচারী ও রিক্সা চলাচলের লেন দখল করে অবৈধভাবে গড়ে উঠা ফুটপাতের দোকান থেকে চাঁদাবাজির সময় চাঁদাবাজ রিপন ওরফে মুরগি রিপনের সহযোগী জামাল হোসেনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১১মে সিদ্ধিরগঞ্জের হিরাঝিল আবাসিক এলাকায় পতিতা নিয়ে ফূর্তি করতে গিয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন মুরগি রিপন।