সিদ্ধিরগঞ্জে অবৈধ দোকান উচ্ছেদ
সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি, প্রেসবাংলা২৪.কম; দীর্ঘদিন যাবত রিপন ওরফে ‘মুরগী রিপন ‘ নামে এক চাঁদাবাজ সিদ্ধিরগঞ্জস্থ ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে সরকারি জায়গায় গড়ে উঠা দোকান থেকে চাঁদা নিতেন বলে অভিযোগ ছিল।
রবিবার (২০ ডিসেম্বর) সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে সরকারি জমি দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ৮ শতাধিক ফুটপাতের দোকান উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) কর্তৃপক্ষ।
রবিবার সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সাখাওয়াত ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী নূরে আলমের নেতৃতে এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়।
প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে ফুটপাত, মার্কেটের সামনে সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধভাবে ৮ শতাধিক দোকান গড়ে তোলা হয়েছে। দখলকারীরা এসব দোকান গড়ে তুলে পরিবহন ও পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করছিল। তাই সরকারী রাস্তা দখল করে এসব অবৈধভাবে গড়ে তোলা সব দোকান উচ্ছেদ করা হয়েছে। অবৈধ দোকান উচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান চলবে বলেও জানান সওজের এ কর্মকর্তা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত রিপন ওরফে ‘মুরগী রিপন’ নামে এক চাঁদাবাজ তার নিয়োজিত লোক (জামাল, শাকিল, নাসির ও রুহুল আমিন) কে দিয়ে পুলিশের নামে চাঁদা উত্তোলন করে আসছিল। তাদের পাশাপাশি এ ফুটপাথে এক শ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধির সহযোগী ও স্থানীয় চাঁদাবাজরা এসব দোকানপাট থেকে দৈনিক ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে। তাছাড়া দোকান প্রতি ১ লাখ টাকা থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অগ্রিম নিতো সংঘবদ্ধ এ চাঁদাবাজ চক্র।
ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, মুরগী রিপন ও তার সহযোগীরা প্রতিদিন এ টাকা উত্তোলন করতো পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক বিভাগের নাম করে। মুরগী রিপনকে চাঁদা না দিলে সে ও তার বাহিনীর সদস্যরা আমাদেরকে শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি উচ্ছেদের হুমকিসহ পুলিশ দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দিতো। ফলে বাধ্য হয়ে আমরা তাকে ও তার নিয়োজিত ব্যক্তিকে প্রতিদিন চাঁদা দিয়ে আসছিলাম।











