১৮/১০/২০২০ রোজ রবিবার দুপুর ২-৩০ মিনিটের সময় মদনগঞ্জ বটতলা নিজের মোবাইল ম্যকানিক্যাল দোকানের কারিগর আনাস (১৫) বলেন থেকে দুই জন লোক এসে বলেন তুমি সোহাগ পরে তারা বাহিরে নিয়ে মটরসাইকেলে করে নিয়ে যায়। তারা কে বা কারা আমি জানি না। পরে ওর বাবা অনেক খুঁজে না পেয়ে বন্দর থানা একটি লিখিত অভিযোগ করেন। এবং বলেন আমি আমার ছেলেকে অনেক খোঁজা খুঁজি করে কোন সন্ধান পাইনি।

বন্দরে এক মাসেও নিখোঁজ যুবক সোহাগের সন্ধান মিলেনি!

 

বন্দর প্রতিনিধি, প্রেসবাংলা: বন্দর উপজেলার মদনগঞ্জের লক্ষ্যারচর এলাকার সোহাগ (২৪)
নামের এক যুবক প্রায় এক মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছে।

 

ওই নিখোঁজের ঘটনায় পিতা সোহরাব গত ২৩ অক্টোবর বন্দর থানায় একটি জিডি দায়ের করলেও এক মাসেও কোন ধরনের সন্ধান দিতে পারেনি পুলিশ। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তির কোন সন্ধান না পেয়ে দিশেহারা নিখোঁজ সোহাগের স্ত্রী। বাবাকে এখনো খুঁজে ফিরে দুগ্ধজাত দেড়বছর বয়সী শিশু আহনাত। নিখোঁজ সোহাগ মদনপুর এলাকায় মোবাইল সার্ভিসিং এর কাজ করতো। এদিকে একটি প্রতারক চক্র এই দু:সময়েও নিখোঁজের পরিবার থেকে বিকাশের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

জানা গেছে, গত ২৩ অক্টোবর সোহাগ নিখোঁজের জিডি দায়ের করেন পিতা সোহরাব। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগের জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুকে দিলে একটি প্রতারকচক্র সোহাগের পিতার মুঠোফোনে কল করে পুলিশ পরিচয় দিয়ে জানায় সোহাগ ফেনী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার চিকিৎসা ও রক্তের জন্য অর্থের প্রয়োজন বলে বিকাশে ৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এরপর থেকে প্রতারকচক্রের মোবাইল বন্ধ রয়েছে। পরে ওই ঘটনাতেও বন্দর থানায় একটি জিডি দায়ের করেন নিখোঁজ সোহাগের পিতা।

 

এদিকে মোবাইল সার্ভিসিং এর কাজ করা সোহাগ ছিল পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম। তার স্ত্রী জিনিয়া স্বামীর খোঁজে পাগলপ্রায়। সোহাগের দেড় বছর বয়সী শিশু আহনাতও বাবাকে খুঁজে ফিরে। সোহাগের বাবা সোহরাব একজন দিনমজুর। সোহাগ নিখোঁজ থাকার কারণে তাদের সংসার চালানোই এখন দায় হয়ে পড়েছে।

 

এ বিষয়ে মদনগঞ্জ পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ আজগর জানান, তারা নিখোঁজ সোহাগের সন্ধানে কাজ করছেন।

 

0 0 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments
কপিরাইট © ২০২০ | প্রেসবাংলাটুয়েন্টিফোরডটকম
0
Would love your thoughts, please comment.x
()
x