না’গঞ্জে ১০ শয্যার আইসিইউ উদ্বোধন নগর প্রতিনিধি, প্রেসবাংলা২৪ডটকম: নারায়ণগঞ্জে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য ১০ শয্যার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে নগরীর খানপুর নারায়ণগঞ্জ ৩শ’ শয্যা হাসপাতালে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ সেলিম ওসমান এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এর মধ্যদিয়ে নারায়ণগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হলো।

না’গঞ্জে ১০ শয্যার আইসিইউ উদ্বোধন

 

 

নগর প্রতিনিধি, প্রেসবাংলা২৪ডটকম: নারায়ণগঞ্জে করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য ১০ শয্যার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে নগরীর খানপুর নারায়ণগঞ্জ ৩শ’ শয্যা হাসপাতালে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাংসদ সেলিম ওসমান এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

 

এর মধ্যদিয়ে নারায়ণগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হলো।

 

করোনাকালে নারায়ণগঞ্জে আইসিইউ না থাকায় ১০ জনেরও বেশি রোগী মারা যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগে জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ও ঘেরাও করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন-জেলা প্রশাসক মো: জসিম উদ্দিন, সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ, হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. গৌতম রায়, বিকেএমইএ’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

 

প্রসঙ্গত অক্সিজেন, ভেন্টিলেটর, মনিটর থাকলেও বেডসহ কিছু সরঞ্জামাদির অভাবে আইসিইউ সেবা দেওয়া সম্ভব হয়নি। গত ২২ জুন নারায়ণগঞ্জ ৩০০শয্যা হাসপাতালের আইসিইউ ইউনিটে ১০টি বেড এসে পৌঁছায়।

 

সাংসদ একেএম সেলিম ওসমান বলেন, মহান মুক্তিযোদ্ধের সময় আমি শহীদ হয়নি। আমি যুদ্ধে ফিরে এসেছি আমি গাজী। বর্তমানে করোনা সঙ্গে লড়াই করছি আর এ লড়াইলে সবাই অংশগ্রহন করছে। সকলের সচেতনতাই করোনা এ লড়াইয়ে জিতা সম্ভব।

 

সেলিম ওসমান খানপুর হাসপাতালে তত্ববদায়কের পিএ সিদ্দিকের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, একজন টাইপিস থেকে পিএ হয়ে গেলেন, কেলেঙ্কারী করলেন আর তাকে বদলী করে দিয়ে বাচিয়ে দেওয়া হলো। কেনো ওর বিচার নারায়ণগঞ্জে হবে না? একটা সময় বলা হতো তুই রাজাকার তুই রাজাকার। এখন বলা হবে তুই চোর তুই চোর। সকল চোরদের মুখোশ খোলা হবে। বাঘের থাবার চেয়েও সেলিম ওসমানের থাবা বড়। হসপিটালের টাকা ফিরিয়ে আনতে হবে। কে হসপিটালের টাকা দিয়ে বাড়ি বানায়, গাড়িতে চলে আমরা কাছে তথ্য আছে।

 

তিনি আরও বলেন, আমি চাইলে কিছু ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি হসপিটাল বানিয়ে ব্যবসা করতে পারতাম। সে অর্থ আমাদের কাছে ছিলো, কিন্তু আমরা চাই নারায়ণগঞ্জ বাসীর জন্য কিছু করতে। আমার নারায়ণগঞ্জ বাসীর মধ্যে কেউ কিটিক্যাল হলেই তাকে আইসিওর জন্য হাসপাতালে হাসপাতালে দৌড়াতে হয়, আর হবে না।

 

জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিন বলেন, একজন রোগী যখন শুনবে তার শহরে আইসিও আছে, তার মনবল বেড়ে যাবে এবং সে অর্ধেক সুস্থ হয়ে যাবে।

 

সিভিল সার্জন ডা. ইয়াতিয়াজ বলেন, একদিন হয়তো করোনা থাকবে না শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু এই আইসিওগুলো নারায়ণগঞ্জবাসীর সেবার জন্য থাকবে।

 

খানপুর হসপিটালের আইসিও চীফ কনসালটেশন ডা জহির বলেন, করোনা রোগীর চিকিৎসার মান বেড়ে গেলো এই আইসিও মাধ্যমে। সেবার পরিধিও বেড়ে গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com