না’গঞ্জে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সুদসহ কিস্তি আদায় স্থগিত: পরামর্শ ডিসির

 

প্রতিবেদক, প্রেসবাংলা২৪ডটকম:  নারায়ণগঞ্জ জেলার গৃহায়ন তহবিলের এনজিও এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সুদসহ কিস্তি আদায় স্থগিত রাখার পরামর্শ দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ জসিম উদ্দিন।

 

নারায়ণগঞ্জ জেলার গৃহায়ন তহবিলের এন জি ও এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সুদসহ কিস্তি আদায় স্থগিত রাখার পরামর্শ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। সকল ঋণগ্রহীতার কথা বিবেচনা করে এ স্থগিত রাখার পরামর্শ দেন তিনি।

 

বুধবার(১০ জুন) সামাজিক গণমাধ্যমে এ তথ্য জানান জেলা প্রশাসক মোঃ জসিম উদ্দিন।

 

করোনার প্রভাবে দেশজুড়ে টানা লকডাউন ও সাধারণ ছুটির কারণে অর্থনীতি প্রায় বিপর্যস্ত। জাতীয়ভাবে সকল প্রকার কিস্তি ও ঋণ উত্তোলনে স্থগিতাদেশ দেয়া হয়েছে। সাধারণ ছুটি আর না বাড়ানো হলেও এখনো অর্থনীতি সেই প্রভাব কাটিয়ে ওঠেনি। এরপরেও বিভিন্ন এন জি ও এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ঋণ উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া যায়।

 

এ বিষয়ে তিনি জানান,গৃহায়ন তহবিলের ঋণ বাস্তবায়নকারী এনজিও ও সুবিধাভোগী ঋণগ্রহীতাদের পরিশোধযোগ্য ঋণের কিস্তি সুদ সহ আদায় ১ এপ্রিল ২০২০ হতে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ পর্যন্ত স্থগিত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট এনজিও কে পরামর্শ প্রদান করা হলো।

 

বিতরণকৃত ঋণের শ্রেণী মান ১ এপ্রিল ২০ এ যা ছিল তা ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। তবে কোন ঋণের শ্রেণী মান উন্নীত হলে যথানিয়মে তা শ্রেণীকরণ করা যাবে।”সকল ঋণগ্রহীতার কথা বিবেচনা করে এ স্থগিত রাখার পরামর্ষ দেন তিনি। বুধবার(১০ জুন) সামাজিক গণমাধ্যমে এ তথ্য জানান জেলা প্রশাসক মোঃ জসিম উদ্দিন।

 

করোনার প্রভাবে দেশজুড়ে টানা লকডাউন ও সাধারণ ছুটির কারণে অর্থনীতি প্রায় বিপর্যস্ত। জাতীয়ভাবে সকল প্রকার কিস্তি ও ঋণ উত্তোলনে স্থগিতাদেশ দেয়া হয়েছে। সাধারণ ছুটি আর না বাড়ানো হলেও এখনো অর্থনীতি সেই প্রভাব কাটিয়ে ওঠেনি। এরপরেও বিভিন্ন এন জি ও এবং অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ঋণ উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া যায়।

 

এ বিষয়ে তিনি জানান,গৃহায়ন তহবিলের ঋণ বাস্তবায়নকারী এনজিও ও সুবিধাভোগী ঋণগ্রহীতাদের পরিশোধযোগ্য ঋণের কিস্তি সুদ সহ আদায় ১ এপ্রিল ২০২০ হতে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ পর্যন্ত স্থগিত রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট এনজিও কে পরামর্শ প্রদান করা হলো। বিতরণকৃত ঋণের শ্রেণী মান ১ এপ্রিল ২০ এ যা ছিল তা ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। তবে কোন ঋণের শ্রেণী মান উন্নীত হলে যথানিয়মে তা শ্রেণীকরণ করা যাবে।”