কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসককে আইনের আওতার আনতে হবে: রণেশ মৈত্র

 

নগর প্রতিনিধি, প্রেসবাংলা২৪ডটকম: একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক, ভাষা সৈনিক, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক রণেশ মৈত্র বলেছেন, কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক বাংলা ট্রিবিউনের সাংবাদিককে যেভাবে নির্যাতন করেছেন, এ ঘটনায় জেলা প্রশাসককে শুধু ক্লোজ করলেই হবে না, তাকে এবং তার সহযোগিদের বিচারের সম্মুখিন করতে হবে। সাংবাদিক নির্যাতনকারি ঐ জেলা প্রশাসককে গ্রেফতার করে ফৌজদারী আইনে বিচার করতে হবে। এ দাবীতে সাড়া দেশের সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

 

তিনি বলেন, তার বিচারের দাবীতে সাংবাদিক সংগঠনগুলির যেভাবে সোচ্চার হওয়া প্রয়োজন ছিলো তা হয়নি। তবে দেশব্যাপী সাধারন সাংবাদিকরা যথেষ্ট সোচ্চার ছিলো।

 

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের লাউঞ্জে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন।

 

নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট মাহবুবুর রহমান মাসুমের সভাপতিত্বে এ মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা খেলাঘর আসরের উপদেষ্টা রথীন চক্রবর্তী, নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক ইত্তেফাকের ষ্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান বাদল, নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের তিন সাবেক সাধারন সম্পাদক এনটিভি’র জেলা প্রতিনিধি নাফিজ আশরাফ, আমাদের সময়ের জেলা প্রতিনিধি আবু সাউদ মাসুদ, সময়ের আলো ও বাসস এর জেলা প্রতিনিধি শরীফ উদ্দিন সবুজ, নারায়ণগঞ্জ জেলা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারন সম্পাদক ও যমুনা টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি আমির হোসাইন স্মিথ, দৈনিক সমকালের জেলা প্রতিনিধি এম এ খান মিঠু প্রমুখ।

 

এসময় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাসুম বলেন, পত্রিকা, ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া ভূমিদস্যু, অন্যায়কারি, দুবৃত্তদের হাতে বন্দি হয়ে যাচ্ছে। ফলে সাংবাদিকরা স্বাভাবিকভাবে সাংবাদিকতা করতে পারছেনা।

 

বক্তব্যে সাংবাদিক নাফিজ আশরাফ বলেন, বেশিরভাগ সাংবাদিককে এখন বিশভাগ সাংবাদিকতা আর আশিভাগ মালিকের কাজ করতে হয়।

 

আবু সাউদ মাসুদ বলেন, পত্রিকা বা চ্যানেলের মালিকরা দেশব্যাপী সাংবাদিকদের হয় বেতন দেননা অথবা যে বেতন দেন তাতে তাদের সংসার চলেনা। তারা সাংবাদিকদের দুবৃত্ত হতে বাধ্য করছে।

 

শরীফ উদ্দিন সবুজ বলেন, একদিকে সম্পাদকের কেন্দ্রীয় নিতীর কারনে সাংবাদিকরা মুক্তভাবে লিখতে পারেনা। আবার স্থানীয়ভাবে সন্ত্রাসীদের হুমকি, নিরপাত্তার অভাবের কারনে সাংবাদিকরা অনেক নিউজ করা থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হচ্ছে।