জিয়াউর রহমানের নাম মুছে দিলে হাজার কোটি টাকা ব্যয় করেছে স্বৈরাচার সরকার : এড. সাখাওয়াত

প্রেসবাংলা ২৪. কম : শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম দলের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার ( ২৪ জানুয়ারী ) সকালে হোসিয়ারী সমিতির কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর এর আয়োজনে আলোচনা সভা ও অসহায় দুস্থদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. সাখাওয়াত হোসেন খান।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, বাংলাদেশ বিমানবন্দর থেকে জিয়াউর রহমানের নাম বাদ দেওয়ার জন্য ১৫০০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। এরকম সারা বাংলাদেশে জিয়াউর রহমানের ছবি, নাম, অক্ষর গুলোকেও পর্যন্ত ভেঙে ফেলা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, জিয়াউর রহমান কে ছিলেন? জিয়াউর রহমান ছিলেন সেই লোক, যিনি ১৯৭১ সনে বড় কোনো পদে ছিলেন না। আর্মির মধ্যে মেজর খুব বড় পদ না। উনি মেজর পদে ছিলেন, একটা ব্রিগেডের উনি প্রধান ছিলেন। কিন্তু সেই জিয়াউর রহমান কী অসাধ্য সাধন করেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করার কথা না। এবং তাঁর উপরে আর্মিতে অনেক বড় বড় অফিসার ছিলেন, তাঁরা কিন্তু এটার সাহস পায় নাই। সাহস কে করেছে? মেজর জিয়া।
১৯৭১ সনের ২৫শে মার্চ এই বাঙালি জাতির উপরে পশ্চিমা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে খুন করতেছিল, শেখ মুজিব নিজে সেই সময় ওই হানাদার বাহিনীর কাছে নিজেকে আত্মসমর্পণ করেছিলেন এবং আওয়ামী লীগের ব্যক্তিরা, নেতারা, তাঁরা ভারতে পালিয়ে গিয়েছিল। সেই সময় আমরা কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের যে স্বাধীনতার ঘোষণা, সেটা বাঙালি জাতি শোনে। অনুপ্রাণিত হয়েই এই যুদ্ধ শুরু হয়েছে। এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজেকে কিন্তু রাষ্ট্রপতি হিসেবেই স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। সেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরবর্তী যে শৃঙ্খলাবদ্ধ, সেটা আপনারা দেখেন। সে সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে। সেই জিয়াউর রহমান যুদ্ধের পরে কিন্তু ব্যারাকে ফিরে গিয়েছে, ক্ষমতা তাঁকে আকৃষ্ট করে নাই। সেই জিয়াউর রহমানকে পরবর্তী সরকার কিন্তু ‘বীর উত্তম’ উপাধি দিয়েছে। অথচ গত শেখ হাসিনার ফ্যাসিষ্ট শেখ হাসিনা সরকার তাঁকে এই বাঙালি জাতির হৃদয় থেকে মুছে ফেলার জন্য হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় করেছে। সেটা করে সফল হতে পারছে?
তিনি আরো বলেন,আপনারা দেখেছেন এ নির্বাচন। সেটা কিন্তু একটা সুন্দর নির্বাচন হয়েছে। দেশি-বিদেশি সবাই কিন্তু বলেছে নিরপেক্ষ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে বিএনপি-কে ক্ষমতায় আনছে কী নির্ভীক এই দেশের জনগণ। সুতরাং এই জনগণের কল্যাণী বিএনপি সরকার কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও যাবে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম কেন্দ্রীয় কমিটির সহ – সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম টিটু ঢালীর সভাপতিত্বে ও ১৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি দিদার খন্দকার এর সার্বিকতত্বাবধানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত সহ আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মাশুকুল ইসলাম রাজিব, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ড. কে এম আই মন্টি, সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহেদুল হক শামীম, সাংগঠনিক সম্পাদক এ বি এম হেলাল উদ্দিন, সদর থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হক সহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর এর অসংখ্য নেতৃবৃন্দ।










