বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সাবিনা ইয়াসমিনের আদালতে এই সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এদিন আদালতে নূর হোসেনসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে তিন কর্মকর্তা সাক্ষ্য দেন।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর জাসমীন আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধারের ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ নূর হোসেনের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা করে। সেই মামলায় আজ প্রশাসনের তিন কর্মকর্তা আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সাক্ষ্যদাতারা হলেন- বর্তমানে সিলেট রেঞ্জে কর্মরত পুলিশ সুপার এসকে আলাউদ্দিন, এসআই কাজী শাওন ও এএসআই সেলিম। নুর হোসেনের সহযোগীরা হলেন- শাহ জালাল বাদল, শাহ জাহান, জামাল, নূর উদ্দিন, শানাউল্লাহ, রিপন ওরফে ভ্যানিজ রিপন, হারুন অর রশিদ ও আলী মোহাম্মদ। বাকি দুজন পলাতক রয়েছেন। তাদের নাম পাওয়া যায়নি।
এর আগে সকালে কড়া নিরাপত্তায় কাশিমপুর কারাগার থেকে নূর হোসেনকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে আনা হয়। আদালত পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে দুপুরে কড়া নিরাপত্তায় নারায়ণগঞ্জ থেকে কাশিমপুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে নূর হোসেনকে।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংকরোড থেকে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ সাতজন অপহৃত হন। ৩০ ও ৩১ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় হওয়া মামলায় জেলা ও দায়রা জজ আদালত নূর হোসেন, র্যাবের সাবেক তিন কর্মকর্তাসহ ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন।