
আড়াইহাজার প্রতিনিধি, প্রেসবাংলা২৪.কম: নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রীকে প্রেমের অভিনয় করে ধর্ষণের ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করার পর ধর্ষক ও তার লোকজন ধর্ষিতা ও তার পরিবারকে গ্রাম
ছাড়ার হুমকী দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের মনোহরদী গ্রামে বিগত ৬ মে বৃহস্পতিবার রাতে।
মামলার বাদী ধর্ষিতার মা জানান, তার মেয়ে লস্করদী নজরুল ইসলাম বাবু উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী। বেশ কয়েকমাস ধরে তার মেয়েকে (১৩)কে ফুসলিয়ে প্রেমের প্রস্তাব দেয় পার্শ্ববর্তী বাড়ির নজরুল ইসলামের ছেলে লিটন। মেয়েটিকে প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখাইয়া লিটন তার সাথে প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করে। এই প্রেমের সুযোগ নিয়ে লিটন এলাকার শহীদের কন্যা হালিমা (মধু) এর সহযোগিতায় লিটনের বাড়িতে রাতে ডেকে নিয়ে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে।
ঐ সময় মেয়েটি চিৎকার দিলে আশেপাশের লোকজন এসে মেয়েটিকে উদ্ধার করে। ঘটনার পর ধর্ষিতার পরিবার থানায় মামলা দিতে চাইলে ধর্ষক লিটন ও তার পিতা-মাতা ধর্ষিতার সাথে লিটনের বিয়ে দেওয়ার কথা বলে তাদেরকে মামলা দেওয়া থেকে বিরত রাখেন। পরে ধর্ষক লিটন ধর্ষিতা মেয়েটিকে বিয়ে করতে অপরাগতা প্রকাশ করে।
গত ১৩ জুন রবিবার ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে ধর্ষক লিটন ও তার সহযোগি হালিমা(মধু) এর নামে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আদালত আড়াইহাজার থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।
এ ঘটনাটি জানাজানি হলে ধর্ষক লিটন ও তার পরিবারের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে ধর্ষিতা,মামলার বাদী মা সহ পরিবারের লোকজনদের গ্রাম ছাড়া করবে বলে ও হত্যার হুমকী দিয়ে যাচ্ছে। ধর্ষক লিটন ও তার লোকজনদের হুমকীতে ধর্ষিতা ও তার পরিবারের লোকজন জীবন রক্ষার্থে আতংকে দিন কাটাচ্ছে বলে মামলার বাদী জানান।