
প্রতিবেদক, প্রেসবাংলা২৪.কম: সম্প্রতি সোনারগাঁয়ের ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার জায়েদুল ইসলাম মামুনুল হককে নিয়ে বক্তব্য কিছু লোকের ব্যাক্তিগত আইডি থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার হিসেবে প্রকাশ করা হয় তারই প্রেক্ষিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার অফিসিয়াল পেজে ঐ বক্তব্যটি পুলিশ সুপারের নয় এবং পাশাপাশি জনগণকে এই অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করা হয়।
সোমবার (৫ এপ্রিল) দুপুর ১টায় এই মিথ্যা বক্তব্যের রিরুদ্ধে ফেসবুকে বিবৃতি প্রদান করেন।
স্ট্যাটাসে জানানো হয়,
.........‘‘দৃষ্টি আকর্ষণ’’........
সম্প্রতি ফেইসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পুলিশ সুপার, নারায়ণগঞ্জ এর বরাত দিয়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতা জনাব মামুনুল হক’কে নিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে পুলিশ সুপার, নারায়ণগঞ্জ এ ধরণের কোন বিবৃতি প্রদান করেননি। সংশ্লিষ্ট সকলকে এ ধরণের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হল।
প্রসঙ্গত রবিবার রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলমের নাম দিয়ে যে মিথ্যা বিবৃতিটি ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে তা হলো নিম্নরূপ এসপি জায়েদুল আলম নাকি এরূপ বলেছেন যে,“৭১ টিভি একটা ফোনালাপ প্রকাশ করেছে সেটা শুনে আমি কিছু মিলাতে পারছিনা! বুঝলাম না, মামুনুল হক সাহেবের ঘটনার লাইভটি আমি সেই শুরু থেকেই দেখছিলাম, হাজার হাজার হেফাজত সদস্যরা উনাকে মিছিল করে নিয়ে গেলো। উনি ঈদগাহ্ মাঠে বক্তব্য রাখলেন পুরোটা সময় লোকজনের শব্দে উত্তাল। এর মধ্যে স্ত্রীর সাথে উনি কথা বল্লেন আর সেই ফোনালাপে কোন বাহ্যিক শব্দ শোনা গেলো না! এবং এতো তারাতারি ৭১টিভির কাছে চলে গেলো, আজব আমি তো কিছু বুঝলাম না..,আরে কেমনে কি...
আটকও নয়! গ্রেফতারও নয়! আমরা উনাকে দুস্কৃতিকারীদের হাত থেকে উদ্ধার করেছি! দ্বিতীয় কথা হল ধর্ষণ, নারী নির্যাতনের বিচার চেয়ে অনেকেই বিচার না পেয়ে আত্মহত্যা করে। প্রথম স্ত্রী, ২য় স্ত্রী বা দুই স্ত্রীর পরিবারের কেউ কোন জায়গায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিলো না। অথচ বিচার করার জন্য অনেকেই উঠেপড়ে লেগেছে। দেশের এতো উন্নয়ন কবে হইলো? দুই স্ত্রীর যদি কোন আপত্তি না থাকে তাইলে, আপনাদের এতো মাথাব্যথা কেন? এরকম কোন বিবৃতি নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম কোথাও দেননি বলেই সোমবার তিনি বিবৃতি প্রদান করেছেন।