
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি, প্রেসবাংলা২৪.কম: করোনার ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জে শিল্প কারখানা ও গামের্ন্টস গুলোতে সচেতনতামূলক প্রচারনা চালিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন। এছাড়া রাস্তাঘাট, গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে মাস্ক বিতরণসহ পরামর্শ দেয়া হয়। আর সচেতনতামূলক স্টিকার গণপরিবাহনে লাগিয়ে দেয়া হয়।
বুধবার (৩১ মার্চ) নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাহিদা বারিকের নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকার শিল্পকারখানা সহ রাস্তা সহ গণপরিবহনে সচেতনতামূলক প্রচারনা চালানো হয়।
এদিকে নাহিদা বারিকের নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসনের উদ্দেগে ফতুল্লার কুতুবআইল এলাকার কয়েকটি গার্মেন্টে পরিদর্শন করেন। সেখানে গিয়ে কারখানার শ্রমিকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে এবং মাস্ক পরিধান করে কাজ করা সহ রাস্তায় চলাফেরা করার জন্য আহবান করেন।
পরে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংকরোডের শিবু মার্কেট এলাকায় মার্কেট সহ পরিবহন গুলোতে মানুষকে সচেতনতামূলক প্রচারনাসহ মাইকিং করা হয়। এসময় সাধারণ জনগণকে মাস্ক পরিধানে উৎসাহিত করতে “মাস্ক পরুন সেবা নিন, নিজে বাঁচুন অন্যকে বাঁচান” এবং “নিয়ম মেনে মাস্ক পরিধান, করোনা ভাইরাস থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখি” লিখা সম্বলিত স্টিকার বিতরণ করা হয় এবং দোকানপাট এবং বিভিন্ন যানবাহনে স্টিকার লাগিয়ে দেয়া হয়।
ইউএনও নাহিদা বারিক বলেন, করোনা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারণার পাশাপাশি সাধারণ জনগণ যারা মাস্ক পরিধান করেননি তাদেরকে মাস্ক পরিয়ে দেয়া হয়। তাছাড়া বিভিন্ন গণপরিবাহন থামিয়ে যাত্রীদের সর্বদা মাস্ক পরিধান এর ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া হয় এবং যারা মাস্ক পরিধান করেননি তাদেরও মাস্ক সরবরাহ করা হয় ও সচেতনতামূলক স্টিকার গণপরিবাহনে লাগিয়ে দেয়া হয়।
এছাড়া নারায়ণগঞ্জ জেলা শিল্পনগরী হওয়ায় এখানে অসংখ্য শিল্পকারখানা ও গার্মেন্টস কারখানা রয়েছে এবং এইসব কারখানায় হাজার হাজার শ্রমিক দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। অনেকক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, এই কারখানা শ্রমিকরা তাদের কর্মস্থলে মাস্ক পরিধান করছে কিন্তু বাহিরে মাস্ক পরছেন না বরং পকেটে নিয়ে ঘোরাফেরা করছেন। নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন শিল্পকারখানা শ্রমিকদের ঘরে বাহিরে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধানের পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া কর্মস্থল ও কর্মস্থলের বাহিরে সরকারি নির্দেশনা এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে চলাচল করার জন্য সকলকে অনুরোধ জানানো হয়। তাছাড়া এই সকল কারখানা শ্রমিকদের পরিবারের সদস্যরা যাতে বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাহিরে না যায় এবং ঘরের বাহিরে গেলে যাতে সার্বক্ষণিক মাস্ক পরিধান এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন সেই নির্দেশনাও প্রদান করা হয়।