না’গঞ্জে ৪ হত্যাকান্ডের ঘটনায় ২জনের মৃত্যুদন্ড

ফতুল্লা প্রতিনিধি, প্রেসবাংলা ২৪.কমঃ ফতুল্লার ৪ বাল্কহেড শ্রমিকের হত্যার ঘটনায় ২জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় আরও ৯ আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।
রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারী) সকালে অতিরিক্ত দায়রা জজ ২য় আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মােসাম্মৎ সাবিনা ইয়াসমিনের আদালত এই রায় দেন।
এ মামলার মোট আসামী ১২ জন। যার মধ্যে, ইব্রাহীম নামের এক আসামী মারা যায়। তাজল ইসলাম ও মহি ফিটারের মৃত্যুদণ্ডের অাদেশ দেয়া জয়। বাকী আসামীরা হলেন, জলিল, সাইফুল, দুলাল, শফিকুল, চাঁন মিয়া, মজিবর, আব্দুল মান্নান, আরিফ। যাদের মধ্যে পলাতক আসামিরা হলেন, জলিল সাইফুল ইসলাম, দুলাল, শফিকুল ইসলাম।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনায় ছিলেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) ফজলুর রহমান ।
তিনি বলেন, ২০০৯ সালের ২১ এপ্রিল মামলাটি আদালতে বিচার ও নিষ্পত্তির জন্য বদলী হলে বিচারক বাদী এরশাদ মিয়া, ম্যাজিষ্টেট, সুরতহাল, আই.ও সহ ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে এবং উপস্থাপিত কাগজপত্র প্রদর্শনী ভূক্ত করে আজ এই রায় প্রদান করা হয়।
উলেখ্য, ২০০৮ সালে ফতুল্লার বলগেট শাহপরান ডাকাতির সময় চাঞ্চল্যকর চার খুনের ঘটনা ঘটে। শাহপরান বলগেটের মাঝি নাসির মিয়া, মঙ্গল, ফয়সাল, হান্নানকে গলাকেটে হত্যা করে।
জানা যায়, ডাকাতি হওয়া শাহপরান বলগেট এর মালিক এরসাদ মিয়া ২০০৮ সালের ২২ সেপ্টেম্বর এজাহারে বলেন, ঘটনাটি ২০০৮ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২১ সেপ্টেম্বরের তারিখ এর মধ্যে ঘটে। ঐ সময় সিলেট থেকে পাথর বােঝাই করে আমার এই বলগেট টি মুন্সিগঞ্জের সিমেন্ট কারখানায় আসে। পাথর ঐ কারখানায় খালাস করে দেবার পরে বলগেটটির মেশিন নষ্ট হয়ে যায়। বলগেট এর মেশিন ঠিক করার জন্য আসামী মহী ফিটার ও আসামী তাজু ফিটারকে বলগেট এর ড্রাইভার নাসির খবর দেয়। ওরা এসে বলগেটটা ঠিক করে টেস্ট করতে গিয়ে চরে তথা বক্তাবলীর চরে নিয়ে লাগিয়ে দেয় । ইট খােলার পাশে লাগিয়ে দেয়। তখন বলগেটে নাসির মিয়া, মঙ্গল, ফয়সাল ও হান্নান ছিল। বক্তাবলী চরে বলগেটটি পরিত্যাক্ত অবস্থায় যখন পাওয়া যায় তখন চার জন কর্মচারী বলগেটের মাঝি মাল্লা নাসির মিয়া, মঙ্গল, ফয়সাল, হান্নানকে পাওয়া যায়নি। পরে তাদের মেঘনা নদীর চরে হাত পা বাধা অবস্থায় নাসির মিয়ার লাশ পাই। মঙ্গলের লাশ ও হাত পা বাধা অবস্থায় পাওয়া যায়। বাকী দুই জন ফয়সাল ও হান্নান এর লাশ পাওয়া যায় নাই।











