প্রতিবেদক, প্রেসবাংলা২৪.কম: কক্সবাজারে বেড়েছে দর্শনার্থীর ভীড়, কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, মহামারি করোনাভাইরাস সহসা যাচ্ছে না। সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এ ভাইরাসের নতুন ধরন ধরা পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হাত ধোয়া, মুখে মাস্ক ব্যবহার ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার মতো কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করলেই অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকে করোনা। এসব পদ্ধতির মধ্যে সবচেয়ে বেশি কার্যকর মাস্ক ব্যবহার। তবে পর্যটন এলাকা কক্সবাজারে গেলে মনে হয়, করোনা অনেক আগেই সেখান থেকে বিদায় নিয়েছে।
গতকাল কক্সবাজার সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, কক্সবাজারে আগতদের অধিকাংশ মাস্ক ব্যবহার করছেন না। তাদের মধ্যে নেই কোনো শারীরিক দূরত্ব মানার বালাই। একে অন্যের শরীর ঘেঁষে চলাফেরা করছেন বেশিরভাগ পর্যটক। হোটেল-মোটেল আর কেনাকাটার দোকানগুলোর অবস্থা আরও ভয়াবহ। গাদাগাদি করে কেনাকাটা করতে দেখা গেছে আগত পর্যটকদের। দোকানির মুখে নেই মাস্ক, ক্রেতাদেরও একই অবস্থা। স্বাস্থ্যবিধি না মানায় শীর্ষে রয়েছেন পর্যটকরা। স্থানীয়দের মধ্যে কিছু লোককে মাস্ক পরতে দেখা গেলে ও পর্যটকদের মধ্যে তা লক্ষ্য করা যায়নি।
এ বিষয়ে কক্সবাজারের রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীরা জানান, এখানে খাবার হোটেলে স্বাস্থ্যবিধি মানাটা কঠিন। তবুও আমরা নিজেদের কথা বিবেচনা করে নিজেরা সচেতন হচ্ছি। বাইরে থেকে আগত পর্যটকদের মাস্ক পরার কথা বললে হয়তো তারা হোটেলে খাওয়া বন্ধ করে দেবেন। এটা মাথায় রেখে ক্রেতাকে কিছু বলি না। তবে নিজেরা এটা মানার চেষ্টা করি।’
নারায়ণগঞ্জ থেকে কক্সবাজারে আসা ধলেশ্বরীর তীরে সামাজিক সংস্থার সভাপতি নুরুজ্জামান জিকু বলেন, ‘আমাদের এখানে বেড়ানোটা মুখ্য বিষয়। বন্ধুরা ও সংগঠনের সবাই মিলে এসেছি, খোলা আকাশে পানির মধ্যে আছি, অনেকদিন পর ভালে লাগছে ঘুরতে এসে। যেহেতু করোনাভাইরাস এখনও পরিপূর্ণভাবে বিদায় নেয়নি, তাই সচেতন হওয়া উচিত সকলের।’
পর্যটক তুহিন হাসান মামুন বলেন, ‘আমরা নিজেরা স্বাস্থ্যবিধি মানছি না এটা অন্যায়। কারণ আমার কারণে অন্যের ক্ষতি হতে পারে। সবচেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে যেখানে সেখানে ব্যবহারের পর মাস্ক ফেলা রাখা। এর কারণে জীবাণু ছড়িয়ে পড়তে পারে । এছাড়া সকলকে সচেতন হতে হবে এই মহামারী প্রতিরোধে।