ফতুল্লা, প্রেসবাংলা২৪.কম: শারীরিক অসুস্থতার জন্য মাসে ৪ দিন স্কুলে যেতে পারে না মেয়েরা। যা বছরে গিয়ে দাঁড়ায় ৪৮ দিনে। এ কারণেই নারায়ণগঞ্জের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মেয়েদের জন্য হেলথ কেয়ার তৈরি করা হবে। যেখানে থাকবে সেনেটাইজার থাকবে, হেন্ডওয়াশ ও পুস্তিকা। যাতে মেয়েরা একটি ভালো ওয়াশরুমে গিয়ে তাদের পেডটা চেঞ্জ করতে পারবে। বর্তমানে নারায়ণগঞ্জে প্রায় ৭০-৮০ লাখ মানুষ বসবাস করে। অথচ, নারায়ণগঞ্জে একটি অটিজম স্কুল নেই। আমি নারায়ণগঞ্জে অটিজম স্কুল করতে চাই।
মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে মতবিনিময় কালে জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ বিপ্লব এই পরিকল্পনার কথা জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বিভিন্ন জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ।
জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, বর্তমানে নারায়ণগঞ্জে প্রায় ৭০-৮০ লাখ মানুষ বসবাস করে। অথচ, নারায়ণগঞ্জে একটি অটিজম স্কুল নেই। আমি নারায়ণগঞ্জে অটিজম স্কুল করতে চাই। নারায়ণগঞ্জে প্রস্তাবিত ৩০০ ফিট চওরা রাস্তায় একটি ফ্লাইওভার করতে চাচ্ছি। এটা সম্ভব হলে আমাদের নারায়ণগঞ্জের যানজট অনেকটা কমে যাবে। আমি নারায়ণগঞ্জের সবাইকে একসাথে নিয়ে কাজ করতে চাই। আমরা যদি সবাই একসাথে কাজ না করি, তাহলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০৪১ সালের মধ্যে যে উন্নত বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন দেখেছে, তা বাস্তবায়ন করতে অনেক কষ্ট হয়ে যাবে।

সভায় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা বারিকের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস, ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মো.আসলাম হোসেন, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মশিউর রহমান, সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নাজিম উদ্দিন আহমেদ, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলীসহ আরো অনেক জনপ্রতিনিধি।"