বন্দর প্রতিনিধি, প্রেসবাংলা২৪.কম : নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২১নং ওয়ার্ডের বন্দরে অতি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী শাহী জামে মসজিদটির প্রতিনিধিত্ব নিয়ে নোংরা খেলায় মত্ত হয়ে উঠেছে স্থানীয় কতিপয় স্বার্থাম্বেসী লোকজন।
দীর্ঘদিন কমিটির সভাপতি দায়েত্বে ছিলেন না’গঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টিও সভাপতি আলহাজ্ব আবুল জাহের। তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে পঞ্চায়েতের কমিটির সভাপতি থেকে মসজিদের সার্বিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে অবদান রেখে গিয়েছেন।
গত ১৫ই আগষ্ট মহামারী করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরন করলে শাহীমসজিদ পঞ্চায়েত কমিটির পদটি শূন্য হয়ে যায়। এর পর থেকেই এলাকায় পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতির পদে প্রতিনিধিত্ব করতে স্থানীয় কিছু লোকজনের নাম অলোচনায় আসে । সভাপতি পদে প্রার্থীতা নিয়ে যাদের নাম গুঞ্জন শুনা যায় তারা হলো জান মোহাম্মদ প্রধান, আলী হোসেন হাজারী, ছিদ্দিক প্রধান, শাহাজাহান লিটন, হাসনাত রহমান বিন্দু। এ নিয়ে এলাকায় বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন মহলে আলাদা ভাবে সিন্ডিকেট তৈরী করতে লক্ষ্য করা যায়।
এদিকে স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী শাহী জামে মসজিদটির কমিটির সভাপতি দায়েত্বে ছিলেন না’গঞ্জ জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল জাহের চেয়ারম্যান। তার মৃত্যুর পর পরই স্থানীয় কিছু স্বার্থাম্বেসী কতিপয় লোকজন পঞ্চায়েত কমিটির পদ নিয়ে নানা জল্পনা কল্পনা শুরু করে। যাতে করে শুরু হয় বিসৃঙ্খলা। এতে করে অনিশ্চিত হয়ে পড়ে পঞ্চায়েত কমিটির ভবিষ্যৎ।এ অবস্থা থেকে উত্তোরনের জন্য পঞ্চায়েত কমিটির ৫১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির মধ্যে নামাজী,পরহেজগার ব্যাক্তি ও নিষ্ঠাবান কোন ব্যাক্তিকে পঞ্চায়েত কমিটির পদে আসীন করলে এলাকায় অস্থিরতা কমবে বলে আমরা মনে করি।
কেননা পেশীশক্তি ব্যবহার করে কোন বেনামাজী ব্যাক্তি কিংবা কোন কনিষ্ঠ অনভিজ্ঞ ব্যাক্তি পঞ্চায়েত কমিটিতে প্রতিনিধিত্ব করলে পঞ্চায়েত কল্যান বয়ে আনবে না। বরং স্থানীয় ভাবে দ্বিধাদন্দ্ব তৈরী হবে। অতএব বিতর্কের উর্ধে থেকে আমরা যজ্ঞ লোককে সভাপতি হিসাবে দেখতে
চাই।
শাহী জামে মসজিদ পঞ্চায়েত কমিটির সাধারন সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বলেন, প্রাক্তন সভাপতি আবুল জাহের ছিলেন বিচক্ষন ও নিষ্ঠাবান। তার মৃত্যুও পর শাহী জামে মসজিদ পঞ্চায়েত কমিটির পদটি শূন্য হয়ে যায়। তার অভাব পূরন হয়ার নয়। এক্ষেত্রে আমরা নিয়ম নীতি মেনে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন নামাজী, ধার্মিক ও দায়িত্ববান লোককে সভাপতি হিসাবে চাই।