
আড়াইহাজার প্রতিনিধি, প্রেসবাংলা২৪.কম: নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে বুধবার দুপুরে বখাটের বিচারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম, জহিরুল, আল-আমিন, বিল্লাল হোসেন, আলমগীর ও জালাল মিয়াকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্থানীয় বগাদী এলাকার মনিরুল গ্রুপ ও বাইলাট বগাদী এলাকার ছাত্তার গ্রুপেরমধ্যে সংঘর্ষের এই ঘটনা ঘটেছে।
এ সময় ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে বিচার কার্য চলছিল। বিচারে অংশ নেওয়া রাসেল নামে এক যুবক জানান, দুই দিন আগে বাইলাট বগাদী এলাকার এক অটো চালক বেশ কয়েক জন নারী যাত্রী নিয়ে বিশনন্দী ফেরিঘাট এলাকায় যাচ্ছিলেন। একই সময়ে বগাদী এলাকার অপর আরেকটি অটো দিয়ে দুই বখাটে বগাদী এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে ফাহিম ও মনিরুল ইসলামের ছেলে শুভ নারী যাত্রীদের উত্যক্ত করছিলেন।
এনিয়ে আড়াইহাজার- গোপালদী সড়কের বাইলাট বগাদী এলাকায় বাগবিতন্ডার ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে পরে বখাটে ও নারী যাত্রীদের পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার ঘটনা ঘটে।
৫আগষ্ট বুধবার দুপুরে ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু তালেব মোল্লার নেতৃত্বে দুই পক্ষকে নিয়ে বিচার-শালিস বসানো হয়। এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে দুই পক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। বাইলাট বগাদী এলাকার সোহেল নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, বিচার-শালিসে তাদের ওপর হামলা করা হয়েছে। তাকে এক ঘন্টা পরিষদে আটকে রাখা হয়। পরে পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করে। বগাদী এলাকার বিল্লাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি বলেন, বিচার-শালিসের মধ্যে আমাদের লোকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়েছে। এতে অনেকেই আহত হয়েছেন।
চেয়ারম্যান আবু তালেব মোল্লা বলেন, বিচারে দুই পক্ষের মধ্যে মীমাংসার এক পর্যায়ে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। তবে সামান্য কিছু লোক আহত হয়েছেন।
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সামান্য উত্তেজনা হয়েছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিকালে উভয় পক্ষের মধ্যে পুনরায় উত্তেজনা বিরাজ করছে,যে কোন সময় উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হতে পারে বলে স্থানীয় লোকজন আশংকা করছে।