উপকূলে ঘূর্ণিঝড় আসলেই নেওয়া হয় বাঁধের খবর

প্রতিবেদক, প্রেসবাংলা২৪ডটকম: প্রতিবছর এই সময়টাতে উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে । উপকূলীয় সেই অঞ্চল রক্ষার্থে তৈরি হয়েছে বাঁধ । অথচ এই বাঁধ রক্ষার জন্য তেমন কোন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনা কর্তৃপক্ষ কেবল আঘাত হানার পর শুরু হয় বাঁধ রক্ষার জন্য তোরজোড়।
উপকূলীয় সমুদ্র তীরবর্তী প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রবণ জেলা বরগুনা। এ জেলার বয়েছে খরস্রোতা পায়রা ও বিষখালী নদী। যা জেলার ছয়টি উপজেলাকে বিচ্ছিন্ন করেছে তিন ভাগে। এছাড়াও এ জেলা থেকে সুন্দরবনকে পৃথক করেছে বলেশ্বর নদী। আর সমুদ্রের তীরজুড়ে রয়েছে পাথরঘাটা ও তালতলী উপজেলা।
প্রায় প্রতিবছরই বরগুনায় আঘাত হানে কোনো না কোনো ঘূর্ণিঝড়। নড়বড়ে বেড়িবাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় সহস্র একর ফসলি জমি। জলোচ্ছ্বাসের স্রোতে ভেসে যায় শত শত মাছের ঘের। মুখ থুবরে পড়ে জেলার কৃষি ও মৎস্য খাত। নিঃস্ব হয়ে পড়ে হাজার হাজার মানুষ। যুগ যুগ ধরে চলা প্রকৃতির এমন নিষ্ঠুরতার পরও জেলায় মজবুত ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় ক্ষুব্ধ এ জেলার মানুষ।
সদর উপজেলার ডালভাঙা গ্রামের বৃদ্ধ কৃষক বলেন, ঝড়ের আগে বেড়িবাঁধের কেউ খবর নেয় না। ঝড় আর বন্যা আসলেই বেড়িবাঁধের খোঁজ নিতে আসে অনেকেই ।











