নবান্ন উৎসবে মাতল বক্তাবলী

 

ফতুল্লা প্রতিনিধি, প্রেসবাংলা২৪ডটকম: নবান্ন উৎসবে মাতল বক্তাবলী। দিনভর গ্রামীণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী এই উৎসবকে বর্ণিল রঙে উদযাপন করলো ফতুল্লার বক্তাবলীবাসী।

শনিবার (১৬ নভেম্বর) নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন বক্তাবলীর কানাইনগরে কৃষিক্ষেতে এ নবান্ন উৎসবের আয়োজন করে।

 

উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো: জসিম উদ্দিন।

 

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে কৃষক ও কৃষি বাঁচলেই দেশ বাঁচবে। দেশের প্রায় ৮০ ভাগ কৃষিক্ষেত্র। ফলে কৃষকদের বাচিয়ে রাখতে হবে। নবান্ন উৎসব আমাদের গ্রামীণ ঐতিহ্যের একটি অনন্য উৎসব। আজ এ অনুষ্ঠানে এসে আমি গ্রামবাংলার পুরোচিত্র একসাথে দেখতে পেলাম।

 

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা বারিক বলেন, কৃষক হাসলে আমরা হাসি। কৃষক ও কৃষি আমাদের প্রাণ। একসময় আমাদের গোলাভরা ধান ছিল, পুকুরভরা মাছ। নবান্ন উৎসবে ফল উঠানোর আনন্দ গ্রামের মানুষের সাথে ভাগ করে নিতে আজকে আমাদের এ আয়োজন।

 

 

 

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন-সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এড. আবুল কালাম আজাদ বিশ্বাস, নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিদা বারিক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজিমউদ্দিন আহমেদ, ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সম্পাদক শাহ নিজাম, জেলা পরিষদ সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও কাশীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম সাইফ উল্লাহ বাদল, সাধারণ সম্পাদক ও বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম শওকত আলী, ফতুল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার লুৎফর রহমান স্বপন, কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টু, এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হাসান নিপু, বক্তাবলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ কলেজের সাবেক ভিপি আলমগীর হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা বাবুল মিয়া, ফতুল্লা থানা যুবলীগের যুগ্ম-সম্পাদক আনোয়ার হোসাইন প্রমুখ।

 

শুরুতে জেলা প্রশাসক জমির ধান কেটে নবান্ন উৎসবের উদ্বোধন করেন। এরপর দিনভর নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে সন্ধ্যানাগাদ চলে এ উৎসব। পিঠা-পায়েস, মুড়ি-মুড়কি ও নানা স্বাদের বাঙালী খাবার দিয়ে অতিথিদের আপ্যায়ণ করা হয়। পাশাপাশি চলে গ্রামীণ খেলারও প্রতিযোগিতা।

 

গ্রামীণ অবকাঠামো দিয়ে অনুষ্ঠানস্থল সাজানো হয়। রাখা হয় ধান ভানার ঢেঁকি, চাল ছাটার কুলো, মাছ ধরার দেশীয় পলোসহ নানা দেশীয় আসবাব।

 

 

 

দুপুর থেকেই গানে গানে অনুষ্ঠান এগুতে থাকে। একে অনুষ্ঠান সঙ্গীত পরিবেশন করেন-ইউএনও নাহিদা বারিক, শাহ নিজাম, এড. আবুল কালাম আজাদ বিশ^াস, নাজিমউদ্দিন আহমেদ।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com