যে কারণে বাদ পড়েলন সুফিয়ান

প্রেসবাংলা২৪ডটকম: জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি তাকে নৌকার প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন। কয়েকদিন আগেও বেশ আলোচনায় ছিলেন আবু সুফিয়ান। কিন্তু শেষ সময়ে এসে তাকে বাদ দেয়া হয়। বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সভাপতি এম এ রশিদকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে কেন্দ্র।

 

এদিকে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও আবু সুফিয়ানকে বাদ কারণ বিশ্লেষণ করছে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতি সংশ্লিষ্টরা। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম আবু সুফিয়ানকে দলের বর্ধিত সভায় বন্দর উপজেলায় প্রার্থী ঘোষণা করেন। কয়েকদিন আগেও সুফিয়ান-ই দলের প্রার্থী এমনটাই নিশ্চিত ছিল অনেকে।

 

 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এম এ রশিদ বয়োবৃদ্ধ, রাজনীতির শেষ সময়ে এসে তােকে মূল্যায়ণ করতে চেয়েছে দল। বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ৪র্থ হওয়া এই প্রবীণের হাতেই দলের নৌকা তুলে দিল কেন্দ্র। অন্যদিকে আবু সুফিয়ানকে না দেয়ার কারণ হিসেবে তারা বলছেন, সুফিয়ানের রাজনৈতিক পরিপক্কতা আসেনি। উদাহরণ হিসেবে তারা বলেন, একটি সভায় খোদ সরকারের সমালোচনা করেন রাজনৈতিক অজ্ঞতার কারণে। ওই সভায় তিনি বলেছিলেন, রাতেই ভোটের বাক্স ভরব না। মূলত: এই ধরণের ছেলে-মানুষি ও রাজনৈতিক অজ্ঞতা তাকে নৌকা থেকে ছিটকে ফেলে দেয়।

 

গত ৩১ জানুয়ারি বন্দর থানা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় উপজেলা নির্বাচনের জন্য বন্দর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ রশীদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম আবু সুফিয়ান ও মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ সালামসহ ৩ জনের তালিকা কেন্দ্রে পাঠানো হয়। সেই তালিকা থেকেই এমএ রশীদকে চূড়ান্তভাবে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

 

 

নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে প্রভাবশালী ওসমান পরিবারের ঘনিষ্ট প্রবীণ এই নেতা এর আগেও বন্দর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও সুবিধা করতে পারেননি। গত দুইবার আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় এই উপজেলায় বিপুল ভোটের ব্যবধানে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন বিএনপি নেতা আতাউর রহমান মুকুল। তবে এবার মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি মুকুল দলীয় সিদ্ধান্তের কারণ দেখিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহন করবেন না বলে জানিয়েছেন। এদিকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েও বঞ্চিত জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম আবু সুফিয়ান নৌকার প্রার্থীকেই সমর্থন দেবেন বলে জানিয়েছেন। মুকুলের নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত ও সুফিয়ানের সমর্থন নৌকা প্রার্থী এমএ রশীদের জয়ের পথ সুগম করে দিয়েছে বলে মনে করেন অনেকে। এদিকে জাতীয় পার্টি থেকে কিংবা অন্যান্য দলের প্রার্থীতার কোন খবর এখনো পাওয়া যায়নি।

 

 

 

 

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com