একাই লড়ছেন মাসউদ বাদল!

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি, প্রেসবাংলা২৪ডটকম: একাই লড়ছেন মাসউদ বাদল! নারায়ণগঞ্জের প্রায় ১৫ লাখ মানুষের দূর্দশার কারণ ডিএনডি বাঁধ নিয়ে সবসময়ই সোচ্চার রয়েছেন এই কলামিস্ট ও রাজনীতিক। বলতে গেলে একাই নানা সময়ে আন্দোলন সংগ্রাম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে সরব দেখা গেছে।

 

তরুণ বয়সে আদমজী জুট মিলে শ্রমিক নেতৃত্ব দেয়া বাম ধারার এই রাজনীতিক ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডিÑ বাঁধ নিয়ে নানা সময় কথা বললেও তাঁর পাশে উল্লেখযোগ্য কাউকে দেখা যায়নি। কিন্তু তাতেও তিনি দমে যান নি। অনেকটা একাই লড়ে যাচ্ছেন।

 

এ বিষয়ে এম এ মাসউদ বাদল প্রেসবাংলা২৪ডটকম’কে জানান, রাজনীতি নয়, শুধুমাত্র নাগরিক দায়িত্ববোধ থেকেই লড়ে যাচ্ছি। আমাদের দেশের এমন এক দশা এখানে নাগরিক অধিকারের জন্যও রাস্তায় নামতে হয়, সংগ্রাম করতে হয়। আমি ডিএনডির জলাবদ্ধতা-ই শুধু নয়, সামাজিক অন্যান্য বিষয়েও সোচ্চার। নানা অসঙ্গতিতে কলম ধরেছি, এখনও লেগে আছি।

 

প্রকল্পের কত দূর:
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ শুরু হওয়ায় আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা দূর হবে। এরই মধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে পানি নিষ্কাশন খালগুলো। শেষ হয়েছে কয়েকটি মূল খালেরও খনন কাজ।

যদিও বর্ষাকালে জলাবদ্ধতা আর বছর জুড়ে পঁচা পানির দুর্গন্ধই ছিলো ডিএনডি এলাকায় ২০ লাখ এলাকাবাসীর নিত্য দুর্ভোগ। কিন্তু গত বছরের শেষের দিকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধানে ডিএনডি প্রকল্পের কাজ দৃশ্যমান হওয়ায় অনেকটাই স্বস্তিতে থাকবেন এলাকাবাসীরা।

১৯৬২ সালে ঢাকার শ্যামপুর, যাত্রাবাড়ি, ডেমরা আর নারায়ণগঞ্জ সদর মিলে গঠন করা হয় ডিএনডি সেচ প্রকল্পটি। কিন্তু অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে কলকারখানা আর বাসা-বাড়ির বর্জ্যে ভরে গেছে সেচ প্রকল্পের পানি নিষ্কাষণ খালগুলো। আর রাসায়নিক বর্জ্যের সংস্পর্শে এসে সেচ পাম্পগুলো হয়ে পড়ে বিকল।

 

প্রায় ৫৬০ কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের নারায়ণগঞ্জের শিমরাইল ও আদমজী নগরে দুটি পাম্প হাউজ আর পাগলা, ফতুল্লা ও শ্যামপুরে তিনটি পাম্পিং প্ল্যান্ট নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়াও ৭৯টি কালভার্ট, দুটি ক্রস ড্রেন, ১২টি আরসিসি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ ছাড়াও আছে ৫২টি ব্রিজ ও কালভার্ট মেরামত, সংযোগ খাল পুনঃখনন ও খালের তীর উন্নয়ন।

 

প্রকল্প পরিচালক আরও জানান, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাব, স্যুয়ারেজ সিস্টেম আর খালের তলদেশে গ্যাস, বিদ্যুৎ আর পানির লাইন থাকায় প্রকল্পের কাজ শেষ করতে সময় বেশী লাগছে।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

WP2Social Auto Publish Powered By : XYZScripts.com